সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 155
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলাটি মুলতো চলনবিল অধ্যুষিত এলাকা। খানকার রসুন চাষীরা জমি থেকে রসুন তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর ফলনও ভালো তাই কৃষকও খুশি। বাজারে রসুনের দাম ভালো উৎপাদন যেহেতু ভালো তাই কৃষক লাভের আশা করছেন। তারা স্বপ্ন বুনছেন সাদা সোনা খ্যাত রসুনের বাড়তি আয়ে। সরজমিনে দেখা যায়, জমি থেকে রসুন তুলতে চাষিদের কর্মব্যস্ততা।
তাড়াশ উপজেলায় সবথেকে বেশি রসুন চাষ হয়েছে ন্নাবাড়ি, বিলনাদো, চরহামকুড়িয়া, উত্তর শ্যামপুর, কাঁটাবাড়ি। সবচেয়ে বেশী চাষ হয়েছে পাটনাই জাতের রসুন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা য়ায়,
"চলতি বছর ৪৭৫ হেক্টর জমিতে রসুনের আবাদ হয়েছে। বাজার ভালো থাকলে লাভও ভালোই হবে। বাজার একটু কমে গেলেও তরুমুজ ও বাঙ্গী চাষ করে তা পুষিয়ে নিতে পারবে।"
বিলনাদো এলাকায় রসুনের ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন বলেন, “আকার, মান ও জাতভেদে এখন প্রতিমণ রসুনের দাম ১৬শ টাকা থেকে ২৮শ টাকা। বাজারে খুচরা ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে রসুন।" চলনবিলের সাদা সোনা খ্যাত রসুন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ময়মনসিংহ, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে।
তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলনবিলের সাদা সোনা খ্যাত রসুনের বাম্পার ফলন হয়েছে, বাজার রসুনের দামও ভালো আছে। রসুনের ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম থাকার কৃষক লাভবান হবে।