দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
দশমিনা উপজলায় জামায়াতে ইসলামী নেতার বসত ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর এবং লুট করার অভিযাগে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধ মানববন্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২১ মার্চ) রাত ১১ ঘটিকায় উপজলার বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়নর গছানী বাজারর হাজি মার্কট এ ঘটনা ঘট। এ ঘটনায় সাবক যুবদলর সাভপতির বিচারর দাবিত গছানি বাজার মানববন্ধ কর এলাকা বাসি।
অভিযাগকারী হলন উপজলা বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী সহ-সভাপতি আলহাজ্বজাকির হাসেন। অভিযুক্ত হলন একই ইউনিয়নের সাবক যুবদলর সভাপতি কাজী হাসান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত আটর সময় বাশঁবাড়িয়া ইউনিয়নর সাবেক যুবদলর সভাপতি কাজী হাসানক জামায়াত নতা আলহাজ্ব জাকির হোসেনের ছলে মহিদুল ও নিহাদ সহ ৪-৫ জন অতর্কিত হামলা করে আহত করে, এতে কাজী হাসানক গুরুতর অবস্থায় দশমিনা হাসপাতাল রাতে ঘ ভর্তি করা হয়।
ওই ঘটনাক কদ্রে করে রাত ১১ টার দিকে কাজী হাসান সহ ৩০-৪০ জন মুখাশ পরে ওই জামায়াতের নেতার বসত ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর কর লুট-পাট সহ ভাংচুর কারায় শনিবার সারে ৯ টার দিকে গছানি বাজার ওই সাবেক যুবদল সভাপতি সহ বাকি জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী মফিজ ও রুবল বানববন্ধন বলন, শুক্রবার রাত এগারাটার সময় আমরা হাজী মার্কটর একটি চায়র দাকানে বসে চা খাচ্ছিলাম পরে ৮-১০ টি মটর বাইক এস জাকির হোসেনের দোকানের সামনে থামে। কাজী হাসান, ফরিদ,ছিদ্দিক,হাবিবুর, সহ ৩০-৪০ জন মটর বাইক থেমে তার বসত ঘর ইটপাটকল নিক্ষপ সহ ভাংচুর কর এবং কয়কজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানর তালা ভঙ্গে ভিতর ডুক ভাংচুর চালায়, আমরা নিষেধ করলে আমাদর নিষেধ অমান্য করে তারা। পরে এ ঘটনায় থানা পুলিশ আসলে হাসান, ফরিদ, ছিদ্দিক সহ সকল পূর্বদিকর রাস্তাদিয় পালিয় যায়।
জাকির হাসন বলেন, রাত আমি বাসায় বিশ্রাম করছিলাম হঠাৎ বাসার সামন অনক মটর বাইকর শব্দ পাই পরে আমি বাহিরে এসে দখি হাসান, ছিদ্দিক, ফরিদ সহ ৩০-৪০জন বাজে ভাষায় গালমন্দ করে আত্মার হুমকি দেয়, পরে আমি ভয় ঘরর মধ্য চলে যাই। আমার ঘরর যখান ইট-পাটকল মারে তখান থানায় জানাই। থানা পুলিশ আসার আগই আমার বসত ঘর ও দাকান লুটি কর পালিয় যায়।
পরে থানা পুলিশ এস ঘটনার আলামত ভিডিও কর সকাল থানায় যত বল চল যায়। সকাল ওসি সাহবক ফোন করে জানাই।
অভিযুক্ত কাজী হাসান বলন, শুক্রবার সন্ধ্যায় জাকির হাসনর দুই ছল মাহিদুল ও নিহাদ সহ ৪-৫ জন আমার উপর হামলা চালায়, আমি হাসপাতাল ভর্তি আছি। তার বসত ঘর ও দাকান ভাংচুর ও লুটর বিষয় কিছুই জানিনা। তারা এসব আমার পূর্বের ঘটনা ধামা চাপা দেওয়ার জন্য তারা এসব নাটক সাজিয়েছে বলো স্বীকার করেন তিনি।
থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মাহাম্মাদ আদুল আলিম জানান, কাজী হাসানর উপর সন্ত্রাসী হামলায় লিখিত এজাহার পয়েছি এক জনক শনিবার সকাল গ্রফতার করা হয়েছে। জামায়েত ইসলামী নেতা জাকির হোসেন শুক্রবার দিবাগত রাত ফান করে তার বসতঘর ও দাকান ভাংচুর ও লুটপাটর বিষয় জানান, এ বিষয়ে