ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নেয়ার অভিযোগ পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে


  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ৫:০৮ পিএম

ভৈরব প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মামলার ভয় দেখিয়ে লাখ টাকা দাবি করে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার এসআই আল মামুন ও এস আই শ্যামল দেবনাথ ভৈরব থানায় কর্মরত।

শুক্রবার দুপুরে শহরের কমলপুরস্থ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে ) ভৈরব শাখা কার্যালয়ে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী ও তার স্ত্রী স্মৃতি বেগম সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, তার আপন ভাই আকবর মিয়া মাদক কারবারের সাথে জড়িত। রোজার শুরুতো তার বড় ভাইয়ের সাথে পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়াঝাটি হয়। এর কিছুদিন পর গত ৮ মার্চ,  আকবরের বাড়ি থেকে ভৈরব থানার এসআই আল-মামুন ও এসআই শ্যামল দেবনাথ পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০কেজি গাজাঁ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় । পরিত্যক্ত গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ আকবর ও রুবির নামে  মামলা না দিয়ে আমাদের নামে মামলা করার ভয় দেখিয়ে ১লাখ টাকা দাবি করে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। আমি অটোরিকসা চালিয়ে এবং আমার স্ত্রী পাল সেলাই করে কোন রকম সংসার চালায়। আমাদের ছোট ছোট ৩টি সন্তান রয়েছে । তাই আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে এসআই  আল-মামুন আমাকে ফোনে একাধিকবার হুমকি দেয়, দাবিকৃত টাকা না দিলে আমাদেরকে মাদক মামলার আসামী করা হবে । ওইদিন রাত আনুমানিক ১টার দিকে এসআই আল-মামুন আমাকে আমার বাড়ি থেকে আটক করে পুনরায় ১লাখ টাকা দাবী করলে আমি ১৫ হাজার টাকা দিলে আমাকে ছেড়ে দেয়। মাদক কারবারি আকবর ও রুবির যোগসাজশে এসআই শ্যামল ও এসআই মামুন আমাদেরকে ওই মাদক মামলার আসামী করেছে । 

ভূক্তভোগী মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী স্মৃতি বেগম জানান, পুলিশের হয়রানীর কারনে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন । এতে করে স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে না পারায় পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন । তাই উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবী জানান।

এবিষয়ে অভিযুক্ত ভৈরব থানার এসআই আল মামুন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। টাকা নেয়ার মতো কোন কিছু ঘটেনি। এসআই শ্যামল ঘটনাস্থল থেকে ১০কেজি গাঁজা উদ্ধার করে মামলা দায়ের করে। পরে ওসি স্যার আমাকে দায়িত্ব দেন। আমি তদন্ত করতে গিয়ে তাকে পায়নি। তার বাসা তালাবদ্ধ ছিলো। সে তো বাড়িতেই ছিলোনা, পলাতক ছিলো সে কিভাবে আমাকে টাকা দিলো একটু জাস্টিফাই করে দেখেন। ঘটনা সত্যি হলে আমি সব মাথা পেতে নিবো।


এ সম্পর্কিত আরো খবর