ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

আশাশুনিতে জোয়ারের পানি বন্ধে দেওয়া হলো রিংবাঁধ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৩ মে, ২০২৫ সময় : ২:৫১ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের খোলপেটুয়া নদীর ভাঙন কবলিত বিছট পাউবোর বেঁড়িবাধের পাশে টানা ৫দিন পর জিও টিউবের মাধ্যমে বিকল্প রিংবাধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে।

শুক্রবার(৪ এপ্রিল) ভাটার সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধানে এবং সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় কাজ পরিচালনা করা হয়। ফলে শুক্রবার সন্ধ্যার জোয়ারে থেকে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ বন্ধ হয়েছে।

জানা গেছে,পানি উন্নয়ন বোর্ড নিয়োজিত ঠিকাদারের লোকজন এবং সেনাবাহিনীর দুটি টিম গত তিন দিন ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউবের মধ্যে বালি ভরে সেখানে বিকল্প রিংবাঁধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন। অবশেষে শুক্রবার তারা রিংবাধটি বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। ফলে শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ভাঙন কবলিত স্থান দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ হয়েছে। পানি প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ভাঙন কবলিত মানুষের মধ্যে।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো-২) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে জিও টিউব ব্যাগের মধ্যে বালি ভরে বিকল্প রিং বাঁধ দিয়ে প্রাথমিকভাবে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে। আরো কিছু জিও টিউব সেখানে দেয়া হবে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যে রিংবাঁধ নির্মাণের সকল কাজ শেষ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর ধাপে ধাপে মূল বেঁড়িবাঁধ তৈরীর কাজ শুরু করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ঈদ উল ফিতরের দিন সকাল ৮ টার দিকে বিছট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন প্রায় দুইশ ফুট এলাকা জুড়ে বেড়িবাঁধ হঠাৎ করেই ধ্বসে ভিতরে পানি ঢুকতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে গ্রামবাসীর ঈদের আনন্দ ভেস্তে যায়। হাজার হাজার গ্রামবাসী স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে দফায় দফায় ভাঙ্গন পয়েন্টে বিকল্প রিংবাধ নির্মাণের প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও জোয়ারের তোড়ে ব্যর্থ হয়ে যায়। হাজার হাজার মানুষ পানিবন্ধী হয়েছে,পানিতে ভেসে গেছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বিঘা মৎস্য ঘের এবং ২১ হেক্টর জমির ফসল, শতাধিক কাঁচাঘর বাড়ি ধ্বসে গেছে।

বিদ্যুত সমস্যা, সুপেয় পানির অভাব,মানুষের রান্না-খাবার,হাঁস-মুরগী ও গো খাদ্যের অভাব দেখা দেয়। বানভাসি মানুষ পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্র ও পাউবোর বাঁধে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নেন।আকাশজমিন/আরআর

 

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর