আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ডোনাল্ড
ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণা বিশ্ব বাজারে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করেছে। সেই শুল্কের আঁচে
পুড়ছে মার্কিন বাজারও। ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান পুঁজিবাবার
ওয়াল স্ট্রিটে রীতিমতো ধসে নেমেছে।
গত
৪৮ ঘণ্টায় পুঁজি বাজারের সূচকগুলির বিপুল পতন হয়েছে। ২০২০ সালের পর এত খারাপ পরিস্থিতি
দেখা যায়নি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বৃহত্তম এ অর্থনীতিতে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের
ঘোষিত শুল্পের পাল্টা হিসাবে মার্কিন পণ্যে ৩৪ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে বেজিং। যা পরিস্থিতিকে
আরও বেশি করে জটিল দিকে ঠেলে দিয়েছে। এর জেরে মার্কিন বাজারে ইতোমধ্যেই মূলধন কমেছে
৫ লাখ কোটি ডলার।
ওয়াল
স্ট্রিটের অন্যতম প্রধান সূচক হলো এসঅ্যান্ডপি ৫০০। ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর ৬ শতাংশের
বেশি কমেছে এই সূচকের পয়েন্ট। একই অবস্থা ন্যাসড্যাক এবং ডাও জোন্সের মতো এক্সচেঞ্জ
সূচকগুলোর। ২০২০ সালের পর এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়নি মার্কিন বাজারে।
যুক্তরাষ্ট্রের
বিভিন্ন সেক্টরাল সূচকের হালও বেশ খারাপ। ফিলাডেলফিয়া সেমিকন্ডাকটর ইনডেক্স গত বছরের
জুলাইয়ের থেকে প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে, অল টাইম হাইয়ের প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। কিন্তু
ট্রাম্প যেখানে অন্য দেশের উপর শুল্ক চাপিয়েছেন, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এমন
অবস্থা হওয়ার কারণ কী?
মার্কিন
অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানি করে আমেরিকা। কিন্তু শুল্কের
জেরে সেই সব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ
বাজারে। এর জেরে মন্দার পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে দেশটির অর্থনীতিতে।
একাধিক
বিশেষজ্ঞ সংস্থার প্রতিবেদনেও এই আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে। যার জেরে ভয় গ্রাস করছে লগ্নিকারীদের
মধ্যে। ক্ষতি থেকে বাঁচতে বাজার থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছেন তারা। এর জেরেই জটিল হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক পরিস্থিতি।
আকাশজমিন/আরআর