ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

রাজশাহীতে ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যায় দায়ে একজনের ফাঁসি


  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ২:২৮ এএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

নিজের ভাই ও বোনকে শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে রাজশাহীতে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরো ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কালাম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম তরিকুল ইসলাম (৫২)। তিনি রাজশাহী নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তিনি তার ভাই সাদেকুল ইসলাম ও বোন আক্তারা জাহান কল্পনাকে শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এছাড়া আরও চারজনকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় নিহত সাদেকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ আলী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার আদালত চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শামীম আহমেদ। আসামি তরিকুল ইসলামের পক্ষে কোনো আইনজীবী নিযুক্ত ছিলেন না। তাই রাষ্ট্রই তার পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত করেছিল। তার পক্ষে লড়েছিলেন আইনজীবী মাহমুদুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, আসামি যেহেতু পরিবারের দুই সদস্যকে হত্যা করেন, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হয়নি। রাষ্ট্রই আমাকে তার পক্ষে নিযুক্ত করেছিল। 

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মাহমুদুর রহমান রুমন বলেন, আসামি খুন করেছেন, এটা ঠিক। কিন্তু তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। মানসিক ভারসাম্যহীন আসামিকে যেভাবে বিবেচনা করা দরকার ছিল, তা করা হয়নি। অন্য আসামির মতোই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন আসামি তরিকুল ইসলাম। রায় ঘোষণার জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর