ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

রাজশাহীতে ভাই-বোনকে কুপিয়ে হত্যায় দায়ে একজনের ফাঁসি


  • আপলোড সময় : সোমবার ১২ মে, ২০২৫ সময় : ২:২৮ এএম

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি:

নিজের ভাই ও বোনকে শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে রাজশাহীতে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আরো ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কালাম আজাদ এ রায় ঘোষণা করেন। 

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম তরিকুল ইসলাম (৫২)। তিনি রাজশাহী নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা। ২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তিনি তার ভাই সাদেকুল ইসলাম ও বোন আক্তারা জাহান কল্পনাকে শাবল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এছাড়া আরও চারজনকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ ঘটনায় নিহত সাদেকুল ইসলামের ছেলে ইউসুফ আলী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার আদালত চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শামীম আহমেদ। আসামি তরিকুল ইসলামের পক্ষে কোনো আইনজীবী নিযুক্ত ছিলেন না। তাই রাষ্ট্রই তার পক্ষে একজন আইনজীবী নিযুক্ত করেছিল। তার পক্ষে লড়েছিলেন আইনজীবী মাহমুদুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, আসামি যেহেতু পরিবারের দুই সদস্যকে হত্যা করেন, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে তার জন্য আইনজীবী নিয়োগ করা হয়নি। রাষ্ট্রই আমাকে তার পক্ষে নিযুক্ত করেছিল। 

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মাহমুদুর রহমান রুমন বলেন, আসামি খুন করেছেন, এটা ঠিক। কিন্তু তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। মানসিক ভারসাম্যহীন আসামিকে যেভাবে বিবেচনা করা দরকার ছিল, তা করা হয়নি। অন্য আসামির মতোই তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন আসামি তরিকুল ইসলাম। রায় ঘোষণার জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর তাকে আবারও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর