ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

গোয়ালন্দে কাপড় ধোয়ার বালতির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৪ মে, ২০২৫ সময় : ৮:৩২ এএম

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে কাপড় ধৌত করা বালতির পানিতে ডুবে মরিয়ম নামে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশু উপজেলার পশ্চিম উজানচর রিয়াজ উদ্দিন পাড়ার বাসিন্দা এরশাদ মোল্লা ও শারমিন বেগম দম্পতির একমাত্র কন্যা। এরশাদ পেশায় একজন কৃষক। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১২ মে ) দুপুর সোয়া ১টার দিকে শিশুটির বাবা-মা বাড়ির পাশের জমিতে কাজ করছিলেন।

 এ সময় শিশু মরিয়ম বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এক পর্যায়ে শিশুটি বাড়ির ভিতরে চলে যায়। কিছু সময় পর বাবা-মা বাড়িতে ফিরে মরিয়মকে দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বেলা ২ টার দিকে টিউবওয়েলের পাশে রাখা একটি পানিভর্তি প্লাস্টিকের বালতির মধ্যে মরিয়মের পা ওপরে এবং মাথা পানির নিচে ডুবে থাকতে দেখতে পান। এ অবস্থা হতে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে প্রতিবেশী মোশারফ সরদার জানান, বাবা-মা কাজে ব্যস্ত থাকাকালীন মরিয়ম খেলা করতে গিয়ে টিউবওয়েলের পাশের পানির বালতিতে পড়ে যায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

গোয়ালন্দ ঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, শিশু মরিয়মের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনা ও কষ্টদায়ক। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিটি অভিভাবকের যত কাজের চাপই থাকুক না কেন সর্বদা শিশু সন্তানের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ। শিশুটিকে খেয়াল রাখলে হয়ত এ ধরনের বেদনাদায়ক দূর্ঘটনা ঘটতো না।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর