ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

অভিযুক্তদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন-স্বারকলিপি

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ মে, ২০২৫ সময় : ৫:২৫ পিএম

ময়মনসিংহ ব্যুরো:

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টায় জড়িত আওয়ামী যুবলীগের সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার দাবীতে ও মামলা নিতে বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছে।

রোববার দুপুরে গফরগাঁও প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গফরগাঁও সার্কেলের এডিশনাল এসপি বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ২০২২ সালের ২৪ মে গফরগাঁও পৌর এলাকার কাচারি রোড রেলক্রসিং সংলগ্ন স্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রসহ পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমনের উপর  হামলা করে। হামলায় নেতৃত্ব দেয় যুবলীগ সন্ত্রাসী তাজমুন, টিপু, তারা, অনিক ও জুনায়েদ। ওই সময় হামলাকারীরা ইমনের পায়ে গুলি করে ও সারা শরীরে কোপায়। পরে তাকে মৃত ভেবে রাস্তার উপর ফেলে রেখে বীরদর্পে চলে যায়। সেই সময়ে সন্ত্রস্ত জনপদে তাঁতে বাঁচানোর জন্য কেউ এগিয়ে আসতে সাহস করেনি। এরপর ময়মনসিংহ ও ঢাকায় চিকিৎসা করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে একমাস চিকিৎসা করে দেশে ফিরে আসলেও এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে পাননি।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক ফজলুল হক, থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শহীদুর রহমান, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান পল্টন, আবু সায়েম প্রমুখ। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুল ইসলাম ইমন অভিযোগ করে বলেন,ওই সময় প্রাণে বেঁচে গেলেও পরিপূর্ণ সুস্থ হতে পারিনি। তবে আমি হামলাকারীদের পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। এরা সকলেই স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর, ছাত্রলীগ, যুবলীগেরকর্মী।

আমাদের মত শত সহস্র নেতাকর্মী হতাহতের মধ্য দিয়ে অর্জিত নূতন বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের বিচার ও শাস্তির দাবি জানাই। সে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও মামলা নেয়নি পুলিশ। প্রকারান্তরে বারংবার পাণনাশের হুমকি, মামলা, হামলার ভয়ে এলাকা ছাড়া থাকতে হয়েছে বছরের পর বছর। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ন্যায় বিচারের আশায় আমার উপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি। আমার উপর হামলাকারি চিহ্নিত আওয়ামী দোসরদের শনাক্ত করে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনে মামলা রুজুর সবিনয় আবেদন জানাচ্ছি।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর