রূপগঞ্জ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ঢাকা-সিলেট
মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। এ মহাসড়কের প্রায় ১৮ কিলোমিটার রাস্তা রূপগঞ্জ
উপজেলার উপর দিয়ে গেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়ি চলাচল করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপর
দিয়ে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত পর্যন্ত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা,
বরপা, রূপসী, বরাবো, বিশ্বরোড ও যাত্রামুড়া এলাকাতে দীর্ঘ ১২ কিলোমিটার যানজটের চিত্র
দেখা যায়।
এতে
করে ভোগান্তি পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। যানজটের কারণে আটকা পড়তে দেখা গেছে মালবাহী-যাত্রাবাহী
বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। যানজটের অন্যতম কারণ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করণে
কাজ চলার কারণে রাস্তার একদিকে বন্ধ করে অপরদিকে কাজ করার কারণে যানবাহন নির্বিঘ্নে
চলাচল করতে না পারায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ওভারটেকিং, যত্রতত্র যাত্রী
উঠানামা, অবৈধ বাস স্ট্যান্ড, সিএনজি ও অটোরিক্সা স্ট্যান্ড, লেন ভেঙ্গে বিপরীত লেনে
গাড়ি চালানোর কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট।
জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত
মহাসড়ক। মহাসড়কটিতে ৮ লেনে উন্নীত করার কাজ
শুরু হয়েছে। এ সড়কটি দিয়ে সিলেট, ভৈরব, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন
জেলার প্রতিদিন শত শত দূরপাল্লার মালবাহী ট্রাক, বাস ও অন্যান্য গণপরিবহণ চলাচল করে।
রাস্তার কাজ চলার কারণে যানবাহণ নির্বিঘ্নে চলাচল
করতে পারছে না। এতে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। অবৈধ বাস স্ট্যান্ড, যত্রতত্র
যাত্রী উঠানো নামানো, নিয়ম ভঙ্গ করে গাড়ি চালকদের বিপরীত রুটে গাড়ি চলাচল, সড়ক প্রশস্থ্য
কম হওয়া, সড়কে হঠাৎ করে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়। এ যানজটের
ভোগান্তিতে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। মহাসড়কের যানজটের কারণে রূপসী-কাঞ্চন সড়কেও দীর্ঘ
যানজট সৃষ্টি হতে দেখা গেছে।
মনির
হোসেন নামে এক বাস চালক বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রাস্তার কাজ চলার কারণে যানজট প্রতিদিন
লেগে থাকে এখানে। যানজটের কারণে আমাদের অনেক সময় চলে যায় ইনকামও কম হয়। যাত্রীদের কাছে
বাড়তি ভাড়া চাইলে তারা দিতে চায় না। আমরা কোথায় যাবো। গাড়ির জমা দিয়ে সংসার চালানোর
উপক্রম নেই।
নাজমা
আক্তার নামে এক যাত্রী বলেন, রূপসী থেকে ভুলতা যাচ্ছিলাম। রূপসী থেকে ভুলতা যেতে সময়
লাগে ১০ মিনিট কিন্তু ২ ঘন্টায় পৌছাঁতে পারিনি। প্রতিনিয়ত এ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যানজট
লেগেই থাকে। এ যানজটের কারণে আমরা সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ি অনেক।
আকাশজমিন/আরআর