ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

অকৃত্রিম ভালোবাসা পেয়ে মা-বাবা বলে ডাকে শালিক পাখি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৯ মে, ২০২৫ সময় : ৬:০২ পিএম

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

ভালোবাসা যত্ন পেলেই অনেক কিছুই সম্ভব। পাখির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের নং ওয়ার্ড বড় ভবানীপুর মোল্লা পাড়া গ্রামের হারুন মন্ডলের বাড়িতে। যত্ন ভালোবাসা পেয়ে অবিকল মানুষের মতো করে কথা বলে দুটি শালিক পাখি। প্রায় দু-বছর পাখি দুটিকে লালন-পালন করে কথা বলা শিখিয়েছেন হারুন মন্ডল। পাখি দুটি মানুষের সব কথা শুনে অবিকল সেই ভাষায় কথা বলতে পারে।

বৃহস্পতিবার ২৯ মে দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাখি দুটি খাচার মধ্যে লাফালাফি করছে। পাখি দুটিকে দেখতে উৎসুক জনতা প্রতিনিয়ত ভীড় করছে ওই বাড়িতে। আগত মানুষ পাখি দুটির সাথে যা বলে, প্রতি উত্তরে পাখি দুটিই তাই বলছে।


্যাপারে পাখি প্রেমিক হারুন মন্ডল জানান, দুই বছর আগে আমার বাড়ির পাশের রাস্তায় গর্তের মধ্যে দুটি শালিক পাখির বাচ্চা পড়ে থাকতে দেখি। ছোট বেলা থেকেই পাখির প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা রয়েছে। সেই ভালোবাসা থেকেই পাখির বাচ্চা দুটোকে বাড়িতে নিয়ে আসি। সন্তানের মত লালন-পালন করে পাখি দুটিকে বড় করে তুলি। শখ করে ওদের নাম রেখেছি মন্টু এবং ফাতেমা। ওরা এখন আমার পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। আমাকে বাবা আর আমার স্ত্রীকে মা বলে ডাকে। আমার সন্তান, ছেলের বউকেও ভাইয়া-ভাবি বলে ডাকে পাখি দুটি। তিনি আরও জানান, দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন অনেক মানুষ পাখি দুটিকে দেখতে আসে বিষয়টি আমার অনেক ভালো লাগে। আমার গ্রামবাসীরা সবসময় এসে পাখি দুটির সাথে কথা বলে। মানুষ যা বলে পাখিও তাই বলে।

বেশ কিছু গ্রামবাসী জানান, জীবনে প্রথম দেখলাম শালিক পাখি মানুষের মতো কথা বলে! হারুনের ছোটবেলা থেকেই পশু পাখির প্রতি ভালোবাসা রয়েছে অগাধ। তারা আরও বলেন, হারুন মন্ডল পেশায় একজন ভ্যান চালক। ্যান চালিয়ে যা আয় করে তা দিয়ে পরিবার পাখির দেখভাল করেন। স্বল্প আয় করেও পশু-পাখির প্রতি এমন ভালোবাসা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শালিক পাখি ছাড়াও তিনি বিভিন্ন প্রজাতির কবুতরও পালন করেন বাড়িতে। হারুনের ছোট্ট বাড়িতে কবুতর আর শালিক পাখির ভালোবাসায় সিক্ত পুরো গ্রামবাসীসহ আগত উৎসুক পাখি প্রেমী মানুষ।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর