ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

অকৃত্রিম ভালোবাসা পেয়ে মা-বাবা বলে ডাকে শালিক পাখি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৯ মে, ২০২৫ সময় : ৬:০২ পিএম

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

ভালোবাসা ও যত্ন পেলেই অনেক কিছুই সম্ভব। পাখির প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বড় ভবানীপুর মোল্লা পাড়া গ্রামের হারুন মন্ডলের বাড়িতে। যত্ন ও ভালোবাসা পেয়ে অবিকল মানুষের মতো করে কথা বলে দুটি শালিক পাখি। প্রায় দু-বছর পাখি দুটিকে লালন-পালন করে কথা বলা শিখিয়েছেন হারুন মন্ডল। পাখি দুটি মানুষের সব কথা শুনে অবিকল সেই ভাষায় কথা বলতে পারে।

বৃহস্পতিবার ২৯ মে দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাখি দুটি খাচার মধ্যে লাফালাফি করছে। পাখি দুটিকে দেখতে উৎসুক জনতা প্রতিনিয়ত ভীড় করছে ওই বাড়িতে। আগত মানুষ পাখি দুটির সাথে যা বলে, প্রতি উত্তরে পাখি দুটিই তাই বলছে।


এ ব‍্যাপারে পাখি প্রেমিক হারুন মন্ডল জানান, দুই বছর আগে আমার বাড়ির পাশের রাস্তায় গর্তের মধ্যে দুটি শালিক পাখির বাচ্চা পড়ে থাকতে দেখি। ছোট বেলা থেকেই পাখির প্রতি আমার অগাধ ভালোবাসা রয়েছে। সেই ভালোবাসা থেকেই পাখির বাচ্চা দুটোকে বাড়িতে নিয়ে আসি। সন্তানের মত লালন-পালন করে পাখি দুটিকে বড় করে তুলি। শখ করে ওদের নাম রেখেছি মন্টু এবং ফাতেমা। ওরা এখন আমার পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। আমাকে বাবা আর আমার স্ত্রীকে মা বলে ডাকে। আমার সন্তান, ছেলের বউকেও ভাইয়া-ভাবি বলে ডাকে পাখি দুটি। তিনি আরও জানান, দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন অনেক মানুষ পাখি দুটিকে দেখতে আসে বিষয়টি আমার অনেক ভালো লাগে। আমার গ্রামবাসীরা সবসময় এসে পাখি দুটির সাথে কথা বলে। মানুষ যা বলে পাখিও তাই বলে।

বেশ কিছু গ্রামবাসী জানান, জীবনে প্রথম দেখলাম শালিক পাখি মানুষের মতো কথা বলে! হারুনের ছোটবেলা থেকেই পশু পাখির প্রতি ভালোবাসা রয়েছে অগাধ। তারা আরও বলেন, হারুন মন্ডল পেশায় একজন ভ্যান চালক। ভ‍্যান চালিয়ে যা আয় করে তা দিয়ে পরিবার ও পাখির দেখভাল করেন। স্বল্প আয় করেও পশু-পাখির প্রতি এমন ভালোবাসা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শালিক পাখি ছাড়াও তিনি বিভিন্ন প্রজাতির কবুতরও পালন করেন বাড়িতে। হারুনের ছোট্ট বাড়িতে কবুতর আর শালিক পাখির ভালোবাসায় সিক্ত পুরো গ্রামবাসীসহ আগত উৎসুক পাখি প্রেমী মানুষ।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর