ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

টুং টাং শব্দে মুখরিত তাড়া‌শের কামার পল্লী


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ জুন, ২০২৫ সময় : ১২:০৬ এএম

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশের কামার পল্লীর কারিগররা ্যস্ত সময় পার করছেন। যেহেতু আর য়েকদিন রেই ঈদুল আযহা তাই দের চাহিদার কথা বিবেচনা রে চাপাতি, চাকু, টিসহ লোহার সরঞ্জাম তৈরীতে ্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। বছরের এই সময়টায় চাহিদা বেশী থাকায়, কামাররা ভালো উপার্জন রে থাকেন। যেহেতু কোরবানির পশু কাটাকাটিতে চাই চাপাতি, ধারালো চাকু, টি। কয়লার চুলার দগদগে আগুনে গরম লোহার পিটাপিটিতে টুংটাং ব্দে মুখর য়ে উঠেছে তাড়াশ উপজেলার কামারশালা গুলো।

কোরবানির ঈদ লে আশায় বুক বাঁধে তারা, কারণ এসময় তাদের বাড়তি আয় হয়। কোরবানির সময় পশু জবাই কাটাকুটি জন্য লোহার তৈরী চাকু, টি, চাপাতির প্রয়োজন হয়। তাই এসব জিনিসের চাহিদাও বেড়ে যায় বহু গুন, সঙ্গত কারনে এইসব জিনিস তৈরী করার জন্য কামারদের দম ফেলার ফুসরত থাকে না। চাপাতি প্রতি পিস বিক্রি হয় ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, টি ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা, ছুরি ২০০ থেকে ২০০০ টাকা। আবার কেউবা পুরোনো চাকু, বাটিতে শান দেয়ার জন্য কামারদের শরনাপন্ন চ্ছেন। তাড়াশ উপজেলার টি ইউনিয়ন টি পৌরসভায় য়েছে নেকগুলো কামারশালা।

কাজের ্যস্ততা সম্পর্কে পৌর সদরের মানিক কামার লেন, সারা বছর খুব একটা কাজ কর্ম থাকেনা। দের এই সময়টার জন্য আমরা পেক্ষায় থাকি। কারন এই সময়ে আমরা বাড়তি কিছু আয় রি যা দিয়ে সারা বছরের সংসারের অন্য খরচ মেটাই। প্রায় সকল গ্রাহকই শেষ সময় সে চাপ দেয়, বে দি তারা কিছুদিন আগ থেকে আসতেন তাহলে আমাদের সুবিধে তো। বর্তমানে দিনে রাতে সমান ভাবে কাজ করছি, নাওয়া খাওয়ার সময়ও পাচ্ছি না! তারপরও রিবারের কথা চিন্তা রে দের গের রাত পর্যন্ত এভাবে কাজ রে যাব।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর