দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
কোরবানির
ঈদ সামনে রেখে দশমিনা উপজেলায় বিভিন্ন হাটবাজারে দা, ছুরি, বটি, চাপাতিসহ অন্যান্য
দেশীয় লোহার জিনিসপত্র তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার শিল্পীরা। ক্রেতাদের চাহিদা
মেটাতে রাতদিন একাধারে তারা এসব হাতিয়ার তৈরিতে কাজ করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার সদরের নলখোলা বন্দর কামারপাড়া, বেতাগী সানকিপুর, গছানী বাজারসহ বিভিন্ন হাট বাজারে পশু জবাইয়ের ছুরি, চামড়া ছাড়ানোর চাকু, মাংস কাটার চাপাতিসহ বিভিন্ন লোহার তৈরি জিনিসপত্র তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন তারা। জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বাজারে শতাধিক কর্মকার এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।
দা
বটি শান দিতে জামাল মিয়া জানান,সারা বছর এগুলোর কোন কাজ না করায় নষ্ট হয়ে থাকে। শান
দিয়ে পুরাতনগুলো দিয়েই মাংস কাটার কাজ চালিয়ে দেবো। শান দিতে ১২০ টাকায় নেন কর্মকার।
দশমমিনা সদরের নলখোলা বন্দর এলাকার কামার শিল্পী জানান, বছরের অন্য সময়ের চেয়ে কোরবানি ঈদে তাদের আয় রোজগার অনেক বেশি তাই সারাদিন আমাদের ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। এবার প্রতিটি ধারালো দা বিক্রয় হচ্ছে ৮০-৬৫০ টাকা, ছুরি ৩৫০-৩৮০ টাকা, চাপাতি ৬০০-৬৮০ টাকা, চামড়া ছাড়ানোর চাকু ১৬০-২০০ টাকা,মাংস কাটার বটি ৪০-৪৫০ টাকা।
তিনি
আরো বলেন,বাজারে আমদানিকৃত হাতিয়ার আসায় আমাদের তৈরি হাতিয়ারের চাহিদা অনেক কমে
গেছে। তাই পূর্বপুরুষদের এই পেশা ধরে রাখা দুষ্কর হবে বলেও মন্তব্য করেন বাজারের অনেক
কামার শিল্পীরা।
আকাশজমিন/আরআর