মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্যমিকের ২৪০ শিক্ষার্থীর মধ্যে সাড়ে ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও একটি বিষয়ে বই সরবরাহ করা হয়নি। এতে করে বই পাবে কবে এ নিয়ে শিক্ষার্থীসহ উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। জানা গেছে, উপজেলায় মার্চের মধ্যে সব শিক্ষার্থীর বই দেওয়া শেষ হয়েছে।
কিন্তু
উপজেলার সব শিক্ষার্থী বই
পেলেও ওই সরকারি উচ্চ
বিদ্যালয়ে ২৪০ শিক্ষার্থী একটি
বিষয়ে নবম-দশম শ্রেণির
(ইসলাম শিক্ষা ও হিন্দুধর্ম শিক্ষা)
বিষয়ে সরবরাহ করা হয়নি। কার
অবহেলায় শিক্ষার্থীরা বই পেল না
তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এতে করে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়
ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এরই মধ্যে পবিত্র
ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন
উপলক্ষে বিদ্যালয়গুলোতে লম্বা ছুটি শেষ হবে
২২ জুন। আর মাধ্যমিকের
অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে মঙ্গলবার
(২৪ জুন)। ফলে
শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই হাতে পেতে অপেক্ষা
আরও দীর্ঘ হচ্ছে। কারণ, বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় সব
বিদ্যালয়ে অবশিষ্ট বই সময়মতো না
পাওয়ায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা।
মোহনগঞ্জ
পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম
শ্রেণির প্রভাতি শাখার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সাবিহা ইসলাম জানান, আমি এখনো বই
পায়নি। অথচ বিদ্যালয় খোলার
একদিন পরেই অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা
শুরু হবে। ওই বিষয়ের
বই না পাওয়ায় উত্তরপত্রে
আমি কি লিখব। এ
নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত।
বর্তমানে
ওই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রফিকুজ্জামান ইদ্রিছী জানান, এখনো নবম ও
দশম শ্রেণির একটি বিষয়ের বই
পেতে বাকি আছে। তবে
বাকি শ্রেণিগুলোর বই পেয়েছেন। তবে
দ্রত শিক্ষার্থীরা যেন বই পায়
সেজন্য মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই
বিদ্যালয়ে বই পায়নি। যেসব
শিক্ষার্থী তাদের হাতে বই দেওয়া
শুরু হয়েছে। বিলম্বে বই সরবরাহের বিষয়ে
জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন,
তাঁরা অন্য উপজেলা থেকে
বই সংগ্রহ করে বই বিতরণ
করা হচ্ছে।
এ
প্রসঙ্গে মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জুয়েল আহমেদ জানান, চলতি শিক্ষাবর্ষে সব
শিক্ষার্থীর জন্য মাধ্যমিক স্তরের
বই দেয়া হয়েছে। সেই
রিপোর্ট আমার কাছে আছে।
তবে একটি বিদ্যালয়ে একটি
বিষয়ে পাঠ্যবই এখনো সরবরাহই করতে
পারেনি সেটা খোঁজ নিয়ে
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দ্রত ব্যবস্থা নিতে
বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২
শিফটে ১২শ শিক্ষার্থী লেখাপড়া
করছে।
আকাশজমিন/আরআর