ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল গ্রেপ্তার

পলাশে ছাত্রদলের মিছিলে গুলি


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৯ জুন, ২০২৫ সময় : ৪:৫৯ পিএম

নরসিংদী প্রতিনিধি 

নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ছাত্রদলের মিছিলে হামলা ও গুলি চালানোর ঘটনায় জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল কবির জুয়েলকে গ্রেপ্তার করেছে পলাশ থানা পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

বিষয়টি বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সকালে নিশ্চিত করেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন। গ্রেপ্তার ফজলুল কবির জুয়েল পলাশ বাজার এলাকার ফজর আলী মাস্টারের ছেলে। তিনি নরসিংদী জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৫ জুন (রোববার) সন্ধ্যায় শোডাউনকে কেন্দ্র করে জুয়েল সমর্থকদের সঙ্গে উপজেলা ছাত্রদলের সংঘর্ষ হয়। এতে ছাত্রদল কর্মী ইসমাইল হোসেন এবং পথচারী সোহেল মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া পলাশ থানার ওসিসহ দুজন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

ঘটনার দিন রাতে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিয়াম মিয়া বাদী হয়ে ফজলুল কবির জুয়েলকে প্রধান আসামি করে নয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৪০-৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কুতুবুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে রয়েছেন। পলাশ থানার ওসি মনির হোসেন জানান, ‘গ্রেপ্তার জুয়েলকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হবে। সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টা মামলাও হয়েছে, উভয় মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর