ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, প্রতিপক্ষের ওয়ারিশ সনদ আটকে রাখলেন পৌরকর্মী


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৯ জুন, ২০২৫ সময় : ৫:২৪ পিএম

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পৌরসভার নিম্নমান সহকারী সেলিনা আক্তারের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওয়ারিশান সনদ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।  পৌর শহরের বাসিন্দা শাহরিয়ার ইমান রাতুল নামে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন, সেলিনার সাথে তাদের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে। এরই  জেরে দীর্ঘদিন ধরে তার ওয়ারিশান সনদ আটকে রেখেছেন সেলিনা।

এ ঘটনায় তিনি পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গত (৪ জুন) লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) পৌর প্রশাসক ও ইউএনও জুয়েল আহমেদ অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব আলাদা বিষয়। কোনো অবস্থাতেই কাউকে নাগরিক অধিকার থেকে অধিকার একদমই সুযোগ নেই। এ বিষয়ে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


ভুক্তভোগী  শাহরিয়ার ইমান রাতুল মোহনগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের উত্তর দৌলতপুরের বাসিন্দা।  ভুক্তভোগী শাহরিয়ার ইমান রাতুল অভিযোগে জানান, তিনি গত (৯ মে) ওয়ারিশান সনদপত্রের জন্য পৌরসভায় আবেদন করেন। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাতুল এখনো তার প্রয়োজনীয় সনদপত্রটি পাননি। এতে তার জমি খরিজ সংক্রান্ত কাজ করতে পারছেন না। পরে পৌরসভায় খোঁজ নিতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার আবেদনটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করছেন পৌরকর্মী সেলিনা আক্তার।

তার দাবি, পৌরসভার নিম্নমান সহকারী সেলিনা আক্তারের সাথে তার পারিবারিক জমিজমা নিয়ে ২০২২ সালে একটি বিরোধ দেখা দেয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে মামলা চলমান রয়েছে। সেই বিরোধের জের ধরেই সেলিনা আক্তার পৌরসভার প্রভাব খাটিয়ে তার নাগরিক অধিকার খর্ব করছেন এবং তাকে হয়রানি করছেন।

এছাড়াও তিনি জানান, ২০২৩ সালে নিজের বাসার সামনে একটি মার্কেট নির্মাণের অনুমতির জন্য পৌরসভায় আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেটিও অনুমোদিত হয়নি। সেখানেও প্রভাব খাটিয়ে তাকে অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে। শাহরিয়ার ইমান রাতুল পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর লিখিত অভিযোগপত্রে বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার নিম্নমান সহকারী অভিযুক্ত সেলিনা আক্তার বলেন, আমার কাছে এমন কোন আবেদন দেওয়া হয়নি। হয়তো অফিসের অন্য কারো কাছে দিয়েছে। আমি কারো আবেদন আটকাতে হস্তক্ষেপ করিনি। অভিযোগটি মিথ্যা।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর