ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নরসিংদীতে চাকরিচ্যুত পুলিশকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ জুন, ২০২৫ সময় : ৫:০০ পিএম

নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরায় চাকরিচ্যুত এক পুলিশ সদস্যকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের দাইরেরপাড় এলাকায় একটি কাঠবাগান থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে রায়পুরা থানা  পুলিশ।

 

নিহতের নাম জাহিদুল ইসলাম জুয়েল (৩৫)। তিনি উপজেলার চরাঞ্চলের বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের দিঘলীয়াকান্দি এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য নুরুল ইসলামের ছেলে। জুয়েল একসময় বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত ছিলেন, তবে বর্তমানে চাকরিচ্যুত ছিলেন বলে জানা গেছে। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ বলেন, “নিহতের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি একটি হত্যাকাণ্ড। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

 স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চান্দেরকান্দির দাইরেরপাড় ব্রিজ সংলগ্ন কাঠবাগানে রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা।  পরে বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ধারণা করা হচ্ছে, রাতের কোন একসময় দুর্বৃত্তরা জুয়েলকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রায়পুরা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার, রায়পুরা থানার ওসি এবং নরসিংদী পিবিআইয়ের সদস্যরা। তবে নিহত জুয়েলের বাবা নুরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ওসি আদিল মাহমুদ আরও জানান, “হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আশা করছি দ্রুতই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

আকাশজমিন/আরআর

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর