ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডাব মার্কার কাগজ নিয়ে কেন্দ্রে জামায়াত এজেন্টরা: ফয়সল আমীন মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড, অন্য তিন নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরেই মিলল সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার পরিচয় জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার মিরপুর-১০ গোলচত্বরে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ মির্জাপুরে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, বিভিন্ন স্টেশনে আটকা একাধিক ট্রেন বঙ্গোপসাগরে জাপানের ‘বিগ-বি’ ও বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড অন্ধ্র প্রদেশ, নিহত ৫ কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর, কাঠগড়ায় ড্যাব

টাঙ্গাইলে ৬৫০টি করোনা পরীক্ষার কিট সরবরাহ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ জুন, ২০২৫ সময় : ৫:৫৫ পিএম

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি॥

করোনা ভাইরাসে নতুন ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আগেই টাঙ্গাইলে ৬৫০টি সনাক্তকরণ কিট সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওই কিট সরবরাহ করা হয়। নতুন সরবরাহ পাওয়ার পর করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রথম দিনে মর্জিনা (৪০), সাহেরা (৬৫) ও হারাধন পাল (৬৫) হাসপাতালে আসেন। এ তিনজনের করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। গত ৪৮ ঘণ্টায় আর কোন টেস্ট করা হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিনই করোনার উপসর্গ নিয়ে রোগী হাসপাতালে আসছে। জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট সরবরাহ না থাকায় রোগীদের জেলা সদরের হাসপাতালে হয়। ফলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে করোনার উপসর্গ রোগীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

নাগরপুর উপজেলার জাহানারা আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম ও সানোয়ার জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে তারা প্রথমে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে পরীক্ষা করার কিট না থাকায় তাদেরকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। উপজেলা থেকে টাঙ্গাইল শহরের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তারা জেলা সদরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। 

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, করোনা পরীক্ষার জন্য উপজেলা পর্যায়ে এখনও কিট সরবরাহ করা হয়নি। প্রায় দিনই করোনা উপসর্গ নিয়ে রোগীরা আসেন। কিট না থাকায় তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতে হয়।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুস জানান, হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সনাক্তকরণের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনার নতুন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি। প্রথম দিনে ৩ জন টেস্ট করেছে তাদের প্রত্যেকেরই করোনা নেগেটিভ এসেছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন এফএম মাহবুবুল আলম জানান, জেলার জনসংখ্যা বিবেচনায় ১৯ হাজার ৫০০ কিটের চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৫০টি কিট পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এখনও করোনা পরীক্ষার কিট পাঠানো হয়নি। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে করোনার কিট আছে। উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেলা সদরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর