ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

টাঙ্গাইলে ৬৫০টি করোনা পরীক্ষার কিট সরবরাহ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ জুন, ২০২৫ সময় : ৫:৫৫ পিএম

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি॥

করোনা ভাইরাসে নতুন ভেরিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আগেই টাঙ্গাইলে ৬৫০টি সনাক্তকরণ কিট সরবরাহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ওই কিট সরবরাহ করা হয়। নতুন সরবরাহ পাওয়ার পর করোনার উপসর্গ নিয়ে প্রথম দিনে মর্জিনা (৪০), সাহেরা (৬৫) হারাধন পাল (৬৫) হাসপাতালে আসেন। তিনজনের করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। গত ৪৮ ঘণ্টায় আর কোন টেস্ট করা হয়নি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রায় প্রতিদিনই করোনার উপসর্গ নিয়ে রোগী হাসপাতালে আসছে। জেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে করোনা ভাইরাস পরীক্ষার কিট সরবরাহ না থাকায় রোগীদের জেলা সদরের হাসপাতালে হয়। ফলে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেনারেল হাসপাতালে করোনার উপসর্গ রোগীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

নাগরপুর উপজেলার জাহানারা আক্তার, জাহাঙ্গীর আলম সানোয়ার জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে তারা প্রথমে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান। সেখানে পরীক্ষা করার কিট না থাকায় তাদেরকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। উপজেলা থেকে টাঙ্গাইল শহরের দূরত্ব প্রায় ৩০ কিলোমিটার। স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তারা জেলা সদরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। 

নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য . . কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, করোনা পরীক্ষার জন্য উপজেলা পর্যায়ে এখনও কিট সরবরাহ করা হয়নি। প্রায় দিনই করোনা উপসর্গ নিয়ে রোগীরা আসেন। কিট না থাকায় তাদের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতে হয়।

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুস জানান, হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের সনাক্তকরণের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যন্ত করোনার নতুন ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি। প্রথম দিনে জন টেস্ট করেছে তাদের প্রত্যেকেরই করোনা নেগেটিভ এসেছে।

বিষয়ে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন এফএম মাহবুবুল আলম জানান, জেলার জনসংখ্যা বিবেচনায় ১৯ হাজার ৫০০ কিটের চাহিদাপত্র স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৬৫০টি কিট পাওয়া গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এখনও করোনা পরীক্ষার কিট পাঠানো হয়নি। টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল জেনারেল হাসপাতালে করোনার কিট আছে। উপজেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেলা সদরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর