ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সখীপুরে বন বিভাগ সংরক্ষিত শালবনের ১৩ একর জমি উদ্ধার


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ জুন, ২০২৫ সময় : ৬:১০ পিএম

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি॥

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সংরক্ষিত শালবনের ১৩ একর জমি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (২৪ জুন) পৌরসভার নম্বর ওয়ার্ডের সানবান্ধা এলাকায় এসব জমি উদ্ধার করা হয়। সময় জমিগুলোতে প্রায় ১১ হাজার ফলদ, বনজ শাল-গজারির সহযোগী গাছের চারা রোপণ করা হয়। তবে ওই এলাকায় বসবাসকারী বাসিন্দাদের দাবি, বন বিভাগের উদ্ধার করা অধিকাংশ জমি ব্যক্তি মালিকানাধীন। সেখানে কলাবাগান রয়েছে। বন বিভাগ প্রশাসনের লোকজন নিয়ে এসে প্রভাব খাটিয়ে কলা গাছের ফাঁকে ফাঁকে চারা রোপণ করে গেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত (৩১ মে) বন বিভাগের লোকজন সানবান্দায় বিল্লাল হোসেনের দুই একর কলাবাগান কেটে সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনায় গত ( জুন) বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজুসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

এবার সখীপুর উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বন বিভাগ ওই এলাকার ১৩ একর জমি উদ্ধার করল। ওই জমিতেও কলাগাছ রয়েছে। তবে গাছগুলো না কেটে ফাঁকে ফাঁকে ফলদ, বনজ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। চারা রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী। সময় টাঙ্গাইল বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আবু সালেহ, সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞাসহ বাসাইল সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ আলী বলেন, জমিগুলো আমাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন। কাগজপত্রও আছে। বিগত ২০০৫ সাল পর্যন্ত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) দেওয়া হয়েছে। কোনো প্রকার নোটিশ না দিয়ে হঠাৎ প্রশাসনের লোকজন নিয়ে এসে চারা রোপণ করল। কী করব কিছুই বুঝতেছি না।  ব্যাপারে বন বিভাগের সখীপুর উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী বলেন, ওই জমি সংরক্ষিত বনভূমির আওতাধীন। জমিতে আগে গজারি বন ছিল। স্থানীয়রা ধীরে ধীরে দখলে নিয়ে এতে কলাবাগান করেছে। পরে রকম আরও জমি পর্যায়ক্রমে উদ্ধার করা হবে।

বিষয়ে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, এখানে যাঁরা ভুক্তভোগী রয়েছেন, তাঁদের দাবিগুলো আমরা শুনেছি। তাঁদের কলা বাগানগুলোর ক্ষতি না করেই চারা রোপণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আকাশজমিন/আরআর

 

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর