এম.আর রুবেল, ভৈরব প্রতিনিধি:
নাম
মারজিয়া বেগম। কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার বাঁশগাড়ি
গ্রামে অবস্থিত জেড. রহমান প্রিমিয়ার
ব্যাংক স্কুল এন্ড কলেজের ২০২৫ সালের এইচএসসি
পরীক্ষার্থী। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি
ওই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী। এবিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে ওই প্রতিষ্ঠানের
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন।
এবিষয়ে
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মারজিয়া বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য
নির্ধারিত সময়ে টাকা জমা
দেন অফিসে। কিন্তু কলেজের অফিস সহকারির
ভুলের কারণে আমার প্রবেশপত্র আসেনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাংলা ১মপত্র পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে
পারিনি এডমিড কার্ড না পাওয়ায় ।
সে জানায়, টেস্ট পরীক্ষায় ৪.০৭ পয়েন্ট
পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েও ফাইনাল পরীক্ষায়
অংশ নিতে না পারায়
জীবন থেকে একটি বছর
ঝরে গেলো। এবারের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ
হওয়ার প্রস্তুতি ছিলো, অথচ কর্তৃপক্ষের চরম
গাফিলতির কারণে আমার রঙ্গিন স্বপ্ন
অংকুরেই বিনিষ্ট হয়ে গেলো।
এঘটনার জন্য কলেজ প্রধানসহ ৬/৭জন শিক্ষক বাড়ি এসেছেন শান্তনা দিতে। এবং আগামী বছর বিনা খরচে পরীক্ষা দেওয়ার কথা বলে আশ্বস্থ করেন। শিক্ষার্থী মারজিয়া বেগমের বাবা স্বপন মিয়া দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূলের কারণে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি তার মেধাবী কণ্যা। তাদের ভুলের কারণে কলেজের শিক্ষকরা আমার বাড়িতে এসে ভুল স্বীকার করায় আইনগত পদক্ষেপ থেকে ফিরে আসছি।
এ বিষয়ে জেড. রহমান প্রিমিয়ার ব্যাংক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ শরীফ আহমেদ জানান, এইচএসসি পরীক্ষার ফরমপূরণ করতে গিয়ে অফিস সহকারি কম্পিউটারে ডাবল ক্লিক করায় ফরমটি বাতিল বাতিল হয়ে যাওয়ায় আমরা শিক্ষা বোর্ডে একাধিককবার যোগাযোগ করেও বিষয়টির সমাধান করতে পারেনি। ফলে আমাদের শিক্ষার্থী মারজিয়া এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। এই দায়ভার কলেজ কর্তৃপক্ষের বলেই তিনি স্বীকার করেন।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শবনম শারমিন বলেন, পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থী মারজিয়া বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হলে। সেই বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
আকাশজমিন/আরাআর