ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

এবার ব্রিকসকে যে হুমকি দিলেন ট্রাম্প


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৯ জুলাই, ২০২৫ সময় : ৩:৩৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

আবারো ব্রিকসের সদস্য দেশগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, যদি এই দেশগুলো প্রকৃত অর্থে কোনো অর্থবহ জোট গঠন করে, তাহলে সেটি খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে।  স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৮ জুলাই) হোয়াইট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।  খবর রয়টার্সের।

ট্রাম্প বলেন, ‘ছয়টি দেশের গোষ্ঠী ব্রিকসের কথা শুনে আমি তাদের খুব, খুব আঘাত করলাম। যদি তারা সত্যিকারের অর্থবহ কিছু গঠন করে, তবে সেটা খুব দ্রুতই শেষ হবে। আমরা কখনও কাউকে আমাদের সঙ্গে খেলা করতে দিতে পারি না।’ ট্রাম্প জানান, বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থান রক্ষা করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা (সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি) চালু করতে কখনোই দেবেন না।

ট্রাম্প জুলাই ঘোষণা করেন যে, নতুন শুল্ক সেইসব দেশের ওপর প্রযোজ্য হবে যারা ব্রিকস-এর তথাকথিত অ্যান্টি-আমেরিকান নীতির সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করছে। এরইমধ্যে জি৭ (জি৭) জি২০ (জি২০)- মতো বড় অর্থনীতির ফোরামগুলো বিভক্তি যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকা ফার্স্ট নীতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। অবস্থায় ব্রিকস নিজেকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির জন্য একটি বিকল্প প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করছে। ট্রাম্প বারবার প্রমাণ ছাড়াই দাবি করে আসছেন যে, ব্রিকস গঠনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষতি করা। তবে ব্রিকস নেতারা অভিযোগ প্রত্যাখান করেছেন।  

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর