সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি / : 153
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের
তাড়াশ উপজেলার কাটাগাড়ি আঞ্চলিক সড়কে বিকল্প সড়ক তৈরি না করেই একটি নতুন ব্রিজ নির্মাণ
করা হচ্ছে। আর এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই পারে যাতায়াতকারী কয়েক গ্রামের সাধারণ
মানুষ ও স্কুলশিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে অসুস্থ ও গুরুতর রোগীদের চিকিৎসাসহ হাসপাতালে
আনা-নেওয়ায় বিপাকে পড়েন স্বজনেরা। এ কারণে জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি
দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্রিজ নির্মাণ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী মানুষ।
সরেজমিনে
দেখা যায়, তাড়াশ উপজেলার কাটাগাড়ি আঞ্চলিক সড়কে নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজটি। ভাদাস, সেরাজপুর,
কাস্তা, গুরমাসহ পাশাপাশি আরও কয়েকটি গ্রামের অন্তত ৪০ হাজার মানুষ তাঁদের দৈনন্দিন
যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে সড়কটি ব্যবহার করে থাকেন। নির্মাণকাজের কারণে ঢুকতে পারছে না
অ্যাম্বুলেন্স। সময়মতো বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে না পেরে বিপাকে পড়ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। স্থানীয়
বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা গেছে, বিকল্প সড়ক তৈরি না করে নতুন ব্রিজ নির্মাণকাজ
শুরু করায় কয়েক শতাধিক ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ
বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। বিকল্প রুটে যাতায়াত করলে যাত্রী
খুবই কম।
খোঁজ
নিয়ে জানা যায়, দেড় বছর আগে এই ব্রিজটি ভেঙে গেলেও সড়কের পূর্ব পাশ দিয়ে কোনো রকমে
ছোট যানবাহন আসা-যাওয়া করতে পারত। কিন্তু এখন ব্রিজের কাজ শুরু করায় এবং বিকল্প সড়ক
না করেই ভাঙা ব্রিজটিও সরানোর কাজ চালু করায় বিপাকে পড়েছেন যাতায়াতকারীরা। গাড়ি পারাপার
বন্ধ হয়ে যাওয়ায় থমকে গেছে নিম্ন আয়ের মানুষের দৈনন্দিন রোজগার। কৃষকেরা সঠিক সময়ে
বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছে না।
তাড়াশ
মহিলা ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘ব্রিজের পাশে বিকল্প রাস্তা না থাকার কারণে
আমাদের কলেজে যেতে অসুবিধা হয়। আমার মতো অনেক ছাত্রছাত্রীকে এ ভোগান্তির শিকার হতে
হচ্ছে।’
তাড়াশ
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ফজলুল হকের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোন সাড়া
পাওয়া যায়নি।
আকাশজমিন/আরআর