ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

পাবনায় ভেজাল সারে কৃষির সর্বনাশ


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ আগস্ট, ২০২৫ সময় : ৭:০৪ পিএম

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

পাবনা নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায়, বিশেষ করে ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া, চাটমোহর, ফরিদপুর এবং ভাঙ্গুড়া উপজেলায়, বিভিন্ন ছোটবড় নকল ফ্যাক্টরী সারের দোকানে অবাধে তৈরি হচ্ছে নকল সার। বিক্রি করা হচ্ছে নিম্নমানের বীজ এসব নকল সার বীজ ব্যবহারের ফলে কৃষকরা যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি জমির উর্বরতাও ব্যাপকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।


স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় অসংখ্য দোকানে অপকর্ম চললেও রহস্যজনক কারণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে, কাজের সঙ্গে কৃষি বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, ডিলার,বীজ সার ব্যবসায়ীর যোগসাজশ রয়েছে। পাবনা নাটোরের বিভিন্ন স্থানে নকল সারের কারখানা বীজের দোকানে বিশেষ করে ঈশ্বরদী উপজেলার আইকে রোডের জয়নগর,বড়ইচরা,নতুন হাট এলাকা, ন্যাংড়ার দোকান এলাকা,পাকশী বাইপাস রোড, দাশুড়িয়া, মুলাডুলি, টেবুনিয়া, মালিগাছা, গাছপাড়া এবং চাটমোহর, ফরিদপুর ভাঙ্গুড়া উপজেলার কয়েকটি স্থানে নকল সার তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এসব কারখানায় সার উৎপাদনের কোনো সরকারি অনুমোদন নেই। কোন কোন সারের দোকানে ভাল কোম্পানীর বস্তায় নকল সার মিশিয়ে বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে।এছাড়াও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও একইভাবে নকল সার তৈরি বাজারজাত করা হচ্ছে। এসব নকল সার বীজ দেখতে আসল বীজ সারের মতো হলেও এর মধ্যে কোনো পুষ্টি উপাদান থাকে না। কিছু ক্ষেত্রে মাটি, লবণ এবং অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান মিশিয়ে নকল সার তৈরি করা হয়, যা ফসলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। বিশ্বাস করে কৃষকরা অধিক ফলনের আশায় এসব নকল সার বীজ ব্যবহার করে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফসল ভালো না হওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। অনেক কৃষক অভিযোগ করেছেন, নকল বীজ সার ব্যবহারের কারণে তাদের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়াও এসব সারের ক্ষতিকর উপাদান মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে দিচ্ছে। এর ফলে জমির উর্বরতা দীর্ঘমেয়াদীভাবে হ্রাস পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে কৃষিকাজের জন্য বড় হুমকি।


ফলনে মার খেয়ে কৃষি কাজেও কৃষকরা উৎসাহ হারাচ্ছে। সরকারিভাবে সার উৎপাদন বিক্রির জন্য কঠোর নিয়ম কানুন থাকলেও এসব অবৈধ কারখানায় কোনো নিয়ম মানা হয় না। ফলে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে। ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, কৃষি বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তা, অসাধু ডিলার, সার ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল বিভাগের কতিপয় সদস্যের যোগসাজশেই ধরনের অপকর্ম চলছে। তারা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এসব অবৈধ কারখানাকে সুরক্ষা দিচ্ছেন। ফলে স্থানীয় প্রশাসন কৃষি বিভাগ জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করছে। বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে, কৃষকরা আরও ক্ষতির মুখে পড়বে এবং দেশের কৃষি খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা ঐসব দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ব্যাংক ব্যালেন্স,সম্পদসহ নানাভাবে দেশপ্রেমী দুদক,র্যা ,প্রশাসনের কর্মকর্তা ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি একই সাথে স্থানীয় প্রশাসনের উচিত, দ্রুত এসব অবৈধ কারখানা বন্ধ করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ করে রাজস্ব বৃদ্ধিতে কাজ করা,আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ বন্ধের মাধ্যমে জমির    উর্বরতা ঠিক রাখতে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর