ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফরিদপুর সদরের আলীবাদ ইউনিয়নের পশ্চিম আলীবাদ গ্রামের মৃত আনোয়ারউদ্দিন মুন্সীর ছেলে রাফিজের বাড়িতে লুট ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানাযায়,উক্ত এলাকার বিএনপির নেতা,ইউনিয়নের মেম্বার আবজাল মোল্লার নেত্রীতে রিজাল শেখ,বাদশা শেখ, আফসার শেখ,নাজমুল, মিনার,সাগর,সাব্বির,আনছর সহ অজ্ঞাতনাম ১০ থেকে ১৫ জন মিলে হামলা ও লুট করে বলে জানায়।
জানাযায়, মৃত আনোয়ারউদ্দীন মুন্সির ছয় পুত্র সন্তানের মধ্যে পাঁচ সন্তান প্রবাসে থাকেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় তাদের বেশ নাম ডাক সহ ধন-সম্পদে রয়েছে। হামলা ও লুটপাটকারীরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সেবন কারী নামে পরিচিত। তারা বিগত দিনে প্রবাসী পরিবারের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। পরিবারটি চাঁদা দিতে অস্বীকার জানায় এবং এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
হামলাকারীরা সেই রাগে ক্ষোপে শুক্রবার সন্ধা ৭ টার দিকে প্রবাসীর বাড়িতে লোকজন না থাকায় চা-পাতি দা- সহ দেশী ও অস্ত্রসন্ত্র নিয়ে বাড়ি ডুকে ঘরের মধ্যে ভাংচুর করে নগদ তিল লক্ষ্য টাকা সহ ১০ ভরি স্বর্ন অলংকার লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় বাড়িতে থাকা রাপিস মুন্সি(৪০) তার স্ত্রী মমতা (৩০) মেয়ে সুমাইয়া(৯) ছেলে ইমরান(৩)কে গুরুতর আহত করেন। বাড়ির মালিক রাপিসের অবস্থা গুরুত্ব হওয়ায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ প্রদান করেন।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও বিএনপির নেতা আবজাল মোল্লার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বিএনপি করি ফরিদপুর জেলা বিএনপির নেত্রী নায়াব ইউসুফের সাথে আমার সু- সম্পর্ক রয়েছে। আর যাদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে তারা আওয়ামী লীগ করে এই কারণে হিংসাত্মক হয়ে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট কথা বলছে। এই বিষয়ে পরে কথা বলবো জানিয়ে ফোন রেখে দেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকা বাসীর মধ্যে উত্তেজিত ভাব বিরাজ করছে।৯৯৯ ফোন দেয়ার পরেও আইন প্রশাসন কোন ধরনের ভূমিকা পালল করে নাই বলে জানাযায়। শেষ খবর না পাওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন আইনের সহায়তার জন্য গেলে কোতায়ালী থানা পুলিশ বিষয় তদন্ত করে দেখছে।
আকাশজমিন/আরআর