ঈশ্বরদী প্রতিনিধি ॥
বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনে হামলা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা আওয়ামী লীগ আমলে আন্তর্জাতিক আদালতে দায়ের
করা মানবতা বিরোধী মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য, পাবনা জেলা জামায়াত নেতা মাওলানা আব্দুস
সোবহান এর বিরুদ্ধে দেয়া প্রধান সাক্ষী আ .ত.ম. শহীদুজ্জামান নাসিমকে গ্রেফতার করেছে
ঈশ্বরদী থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাতে তাকে শহরের বেলতলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ আ. স.ম.আবদুন নূর বলেন, আওয়ামীলীগ নেতা নাছিম ঈশ্বরদীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হামলায় জড়িত ছিলেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাওলানা আবদুস সোবহান ছিলেন পাবনা-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ
সদস্য এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির। এ
বিষয়ে মাওলানা আবদুস সোবহানের ছেলে নেছার আহমেদ নান্নু বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে
আমার বাবার বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে আমার বাবাকে আজীবন কারাদ-াদেশ দিতে
আদালতকে সহায়তা করেন।পাবনা জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন, আওয়ামী
লীগ নেতা নাসিম একজন দুর্বৃত্ত।
আপদমস্তক অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত তিনি। মানবাধিকারের নামেও সে মানুষকে নানাভাবে হয়রানী ও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।ঈশ্বরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও মানবাধিকার সংস্থার উভয় দায়িত্বে থাকাকালীন আর্থিক অনিয়ম ও শৃংখলা পরিপন্থী কাজের জন্য তাকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া তিনি মেঘনা ইন্স্যুরেন্সের ঈশ্বরদী শাখার ম্যানেজারের দায়িত্ব পালনকালেও আর্থিক অনিয়মের কারণে অনেকদিন কারাগারে ছিলেন।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শহরের নারিচা এলাকা থেকে যানবাহনে
তল-াশি চালিয়ে পিস্তল ও গুলিসহ পুলিশের হাতে দু’যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতরা
হলো পৌর শহরের ভূতেরগাড়ি এলাকার মো. আকরাম হোসেনের ছেলে মো. শাহান ও একই এলাকার মো.
আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন।গ্রেপ্তার করেন আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনস্পেক্টর
আফজাল হোসেন। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার এবং
লাইন্সেবিহীন একটি ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে তাদেরকে জেল হাজতে
প্রেরণ করা হয়েছে।
আকাশজমিন/আরআর