দশমিনা(পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।
ইউএনও'র ইরতিজা হাসানের অপসারণের দাবিতে ফের বিক্ষোভ করেছেন দশমিনা উপজেলা ছাত্র ঐক্য সংগ্রাম জোট। মঙ্গলবার (১৯ শে আগস্ট) সকাল ১০ টায় দশমিনা উপজেলা ছাত্র ঐক্য সংগ্রাম জোটের আয়োজনে পরিষদ চত্তরের ইউএনও'র বাসভবনের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন বর্মান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবী অপসরন না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বিক্ষোভ প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন-দশমিনা উপজেলা ছাত্র ঐক্য সংগ্রাম জোট এর মূখ্যপাত্র গাজী সালাহ উদ্দিন, যুগ্ম মুখপাত্র ইমরান শাহিন,তৌহিদুল ইসলাম ইসলাম, সহযোগী মুখপাত্র হাসান মামুন ও আল আমিন সহ প্রমুখ।
এ সময়, ছাত্র ঐক্য সংগ্রাম জোটের আন্দোলনকারীরা জানান,অনেকে বলছে ইউএনও চলে গেছে আন্দোলন করতেছেন কেন, আমরাও সেইটাই বলতেছি অন্যদিকে ডিসি মহোদয় বলতেছে সে ছুটিতে গিয়েছে,কিন্তু তা তো আমরা মেনে নেব না। এছাড়াও আমাদের স্যার ও ম্যাডামকে পটুয়াখালী ডেকে নিয়ে তাদেরকে বল প্রয়োগ করে বলা হয়েছে আপনারা আন্দোলনকে থামিয়ে দিন। কিন্তু আমরা তা মানি না মানবো না।
ইউএনও'রযে অপরাধ ও
বেয়াদবি এছাড়াও
সে দুর্নীতি করে। সে সঠিক
নিয়মে অফিস
করে না তাকে ফোনে
পাওয়া যায় না এ
বিষয়ে নানা লোকের সমস্যার
সম্মুখীন হচ্ছে দশমিনের সর্বস্তরের জনগণ। যেহেতু আমরা ডিসি মহোদয়ের
কাছ থেকে পজিটিভ কিছু
পাইনি তাই, সে অপরদিকে
বলতেছে এই আন্দোলন নাকি
কোন ছাত্ররা করে না এই
আন্দোলন করতেছে ছাত্রলীগ কর্মীরা, তাই আমরা বলতে
চাই ডিসি মহোদয় স্বচক্ষে এসে দেখে যাও
এই আন্দোলন কারা করে। তাই
আমরা পুনরায় আন্দোলন করতে বাধ্য হচ্ছি,
এরপরেও তাকে যদি ২০
তারিখের মধ্যে অপসারণ না করা হয়
আমরা আরো কঠোর কর্মসূচি
দিতে বাধ্য হব।
এর
আগে গত মঙ্গলবার (১২
আগস্ট) বিকেলে বাসার একটি পাইপলাইন থেকে
পানি পড়া নিয়ে কথাকাটাকাটির
জেরে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের
গণিত শিক্ষক এহসানুল হককে ইউএনও তার
অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত
করেন। এঘটনার ভিডিও ও তথ্য সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনগণ
ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। এ ঘটনার পর
রাতে শিক্ষক এহসানুল হক ও তাঁর
স্ত্রীকে ডেকে এনে ইউএনও
জোরপূর্বক একটি ‘মীমাংসার ভিডিও’ ধারণ করে তা
ফেসবুকে প্রকাশ করেন, যা আরও বিতর্ক
তৈরি করে
এবিষয়ে
জেলা প্রশাসক আবু হাসানাত মোহাম্মদ
আরেফিন বলেন,শিক্ষক দম্পত্তির
সাথে ভূল বোঝাবুঝির নিরসন
হয়েছে,আর তারা তাদের
ফেইসবুকে পোষ্ট করেছেন। এখন আন্দোলন হচ্ছে
ভিন্নক্ষাতে প্রবাহিত করার জন্য। তিনি
আরো বলেন- এখন আন্দোলনের কোন
যুক্তিকতাই নেই।
আকাশজমিন/আরআর