ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬ দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৮২ জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান

বিএনপি নেতা অলির কন্যার বিয়েতে তারেকের উপহার ও সহায়তা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:০৫ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আর্থিক ও নৈতিক সহায়তায় সাতক্ষীরার শ্যামনগরে নিহত বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্লা অলির দ্বিতীয় কন্যা সাদিয়া সুলতানার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) দুপুরে অনুষ্ঠিত বিয়ের অনুষ্ঠানে নবদম্পতির জন্য বিশেষ উপহার ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রতিনিধি দল।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন, উপদেষ্টা আবুল কাশেম, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মনিরুজ্জামান, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক সোলাইমান কবির, পৌর বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী বাবু, জেলা যুবদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এস.আই. আশা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরজাহান পারভীন ঝর্নাসহ আরও অনেকে।

নিহতের পরিবার জানিয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও সীমাহীন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে কন্যার বিয়ে আয়োজন করা তাদের জন্য কঠিন ছিল। তবে তারেক রহমান ও বিএনপি পরিবারের সহায়তায় তারা নতুন উদ্দীপনা পেয়েছেন। নিহত অলির স্ত্রী আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, "আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আজও সেই শোক বুকের ভেতর আছে। তবে মেয়েদের বিয়েতে যেভাবে সহযোগিতা করা হলো, তাতে মনে হচ্ছে আমরা একা নই।"

স্থানীয়রা জানান, অলিউল্লাহ মোল্লা অলি শুধু একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো উদার মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পরিবারটি দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১০ জুলাই পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ মোল্লা অলি নিহত হন। বিএনপি এই ঘটনাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে দাবি করে আসছে। এর আগে ২০২৪ সালে তার বড় কন্যা নাঈমা সুলতানার বিয়ের আয়োজনের দায়িত্বও নিয়েছিলেন তারেক রহমান।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর