ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

বিহারে শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুতে বেকার তরুণদের বিক্ষোভে অচল পাটনা


  • আপলোড সময় : বুধবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৯:০৭ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ        

জেন জি বিক্ষোভে নেপাল উত্তাল থাকলেও প্রতিবেশী ভারতেও দেখা দিয়েছে একই রকম অস্থিরতা। দেশটির বিহার রাজ্যে চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে রাজধানী পাটনার সড়ক। চতুর্থ দফা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টিআরই-৪) ঘিরে শূন্যপদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাজারও চাকরিপ্রত্যাশী রাস্তায় নামেন।

সকাল থেকে প্রায় তিন হাজার মানুষ পাটনা কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমারের বাসভবনের দিকে মিছিল শুরু করেন। কেতন মার্কেট, বকরগঞ্জ, গান্ধী ময়দান, জেপি গোলাম্বার হয়ে ডাকবাংলো স্কয়ার পর্যন্ত ওই মিছিল চলায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

চাকরিপ্রত্যাশীরা দাবি তুলেছেন, সরকারের পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। তাদের অভিযোগ, সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। গত ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষামন্ত্রী সুনীল কুমার ঘোষণা দেন, এই দফায় মাত্র ২৬ হাজারের কিছু বেশি পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে।

ছাত্রনেতা দিলীপ কুমার অভিযোগ করে বলেন, সরকার আগে কখনো ৫০ হাজার, কখনো ৮০ হাজার, আবার কখনো ১ লাখ ২০ হাজার শূন্যপদের কথা বলেছে। অথচ ডোমিসাইল নীতি কার্যকর হওয়ার পর সেই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে ২৭ হাজার ৯১০-এ। এটি তরুণদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

তার অভিযোগ, আগে বাইরের রাজ্যের প্রার্থীদের আকৃষ্ট করতে বেশি শূন্যপদের সংখ্যা দেখানো হয়েছিল। কিন্তু নিয়ম চালু হওয়ার পর অযৌক্তিকভাবে সংখ্যা কমানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিতীশ কুমার ও উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী একাধিকবার ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন তা ভঙ্গ করা হয়েছে। এতে বেকার তরুণদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

বিহারে বিধানসভা নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় শিক্ষক নিয়োগ ইস্যুটি রাজনৈতিকভাবে আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পূর্ণ শূন্যপদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর