ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ছায়া শাসক নাকি আইন প্রহরী

ফরিদপুরে ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রশান্তের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ


ফরিদপুরে ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রশান্ত

  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৮:৫৫ পিএম

বাংলাদেশের ট্রাফিক পুলিশ বিভাগে দুর্নীতি, ঘুষ এবং অনিয়ম যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনই এক অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর জেলা সদর থানায় কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট প্রশান্ত দের বিরুদ্ধে। জানা যায়, ট্রাক, পরিবহন, মিনিবাস অন্যান্য যানবাহন থেকে মাসিক চাঁদ না দিলে রোডে চলাচল করানো প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে মালিকদের জন্য। এছাড়া অযৌক্তিক জরিমানা, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত অটো এবং মাহিন্দ্র গাড়িসহ অন্যান্য যানবাহনের বিরুদ্ধে সামান্য ভুলের জন্যও বড় অংকের জরিমানা বা মামলা চাপিয়ে দিয়ে ঘুষ নেওয়া হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সার্জেন্ট প্রশান্ত দে প্রভাবশালী বা পরিচিত ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেছেন। দালালের মাধ্যমে জরিমানা বা মামলা ম্যানেজ করা, গাড়ি চালক যাত্রীদের সাথে রূঢ় ব্যবহার হুমকি সকল অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ফরিদপুরে চাকুরির সুবাদে সার্জেন্ট প্রশান্ত দে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। তার নিজের নামে একাধিক ট্রাক রয়েছে। শহরের ভাঙা রাস্তার মোড়ে জামান সাহেবের পেট্রোল পাম্পের বিপরীতে ছেলের নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এই প্রতিষ্ঠানে বসেই মাসিক ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। এছাড়া কোকাকোলা ডিলারশিপের মাধ্যমে আরও অর্থনৈতিক সুবিধা তৈরি করেছেন।

ফরিদপুরে ট্রাফিক বিভাগের কিছু কর্মকর্তাকে দুর্নীতি ঘুষ বাণিজ্যের কারণে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তবে সার্জেন্ট প্রশান্ত এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে আছেন। তিনি অন্য দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসারদের সহযোগিতার মাধ্যমে কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।

অভিযোগ রয়েছে, আগস্টের পর ফরিদপুর প্রশাসনে কিছু রদবদল হলেও, সার্জেন্ট প্রশান্ত এখনও কালোছায়ার তবিয়তে ট্রাফিক বিভাগেরাজার মতোশাসন চালাচ্ছেন। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের আমলে বিএনপির নেতাদের গাড়ি বা মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে মামলা দিতেন এবং জামাত সমর্থকদের গাড়ি বিষয়ে আরও কঠোর ছিলেন।

সার্জেন্ট প্রশান্ত দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "পরিবহনসহ বিভিন্ন যানবাহনের অনিয়ম থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া স্বাভাবিক। তবে বিএনপির এক নেতার গাড়িতে মামলা দেওয়ার কারণে আমার নামে মিথ্যা কথা প্রচার করা হচ্ছে।"

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর