ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নরসিংদীতে ব্যবসায়ীকে হত্যা


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:২২ পিএম

নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরায় মুদি ব্যবসায়ী মানিক মিয়া (৬৫)কে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।  সোমবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। এর আগে রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের জঙ্গি শিবপুর এলাকায় ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক মিয়া ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন স্থানীয় বাজারে মুদি ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

পুলিশ স্থানীয়রা জানায়, রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন মানিক মিয়া। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মুঠোফোনে একাধিক বার চেষ্টা করেও কথা বলতে না পারায় খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে রাস্তায় তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘারে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। সোমবার ভোরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। খবর পেয়ে সকালে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

নিহতের ভাই সুরুজ মিয়া বলেন, “ভাই প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু ফোন ধরছিলেন না। পরে রাত ২টার দিকে নদীর পাড়ে জবাই করা মরদেহ পড়ে থাকতে পাই। দ্রুত হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

নিহতের মেয়ে সূচনা আক্তার বলেন, “ বাবা রাত দশটার মধ্যে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু গতরাতে নির্ধারিত সময়ে বাড়ি ফিরেননি। তারপর বাবার মুঠোফোনে একাধিক বার চেষ্টা করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় মা ছোট ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাবার খোঁজে বের হন। বাজারে যাওয়ার পথে আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ে বাবার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। বাবার ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতা ছিল না।

তিনি আরও জানান, বাবা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।” জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের গলার পিছন দিক থেকে ধারালো অস্ত্রেট আঘাত রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল, টর্চ লাইট কিছু টাকা পাওয়া গেছে। তবে হত্যায় ব্যবহৃত কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে হত্যার কারণ জানা যায়নি। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

 

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর