ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

রানওয়ে জুড়ে শিয়াল, থেমে গেল ইউএস-বাংলার ফ্লাইট


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৯:১৯ পিএম

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঢাকাগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট উড্ডয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক তখনই পাইলট নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারে জরুরি বার্তা পাঠান—রানওয়েতে কিছু একটি নড়াচড়া করছে। পরবর্তী তৎপরতায় রানওয়ের উপর একটি শিয়াল দেখা যায়। এই পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটটি ২৬ মিনিট রানওয়েতে অপেক্ষা করতে বাধ্য হয়।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে। ইউএস-বাংলার ফ্লাইট ইউএস-১০৬ উড্ডয়নের নির্ধারিত সময় ছিল বেলা ১১টা ৪০ মিনিট। তবে রানওয়েতে শিয়াল দেখা যাওয়ায় উড্ডয়ন সম্ভব হয়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরিদর্শনকারী টিম পাঠায়। টিমটি রানওয়ে থেকে শিয়ালটি সরিয়ে দেয় এবং পুরো এলাকা আবারও ক্লিয়ার ঘোষণা করে। এরপর ফ্লাইটটি দুপুর ১২টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে।

বিমান চলাচল ২৬ মিনিট সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও পরবর্তীতে পুরো কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়। এ ধরনের পরিস্থিতি বিমানবন্দর নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, “ইউএস-বাংলার ইউএস-১০৬ ফ্লাইটটি উড্ডয়নের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় রানওয়েতে হঠাৎ একটি শিয়াল দেখা যায়। আমাদের পরিদর্শনকারী টিম দ্রুত গাড়ি নিয়ে শিয়ালটিকে তাড়িয়ে রানওয়ে খালি করে। রানওয়ে সম্পূর্ণ খালি নিশ্চিত হওয়ার পর উড্ডয়ন অনুমোদন দেওয়া হয়।”

তিনি বলেন, প্রতিটি ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণের আগে নিয়ম অনুযায়ী রানওয়ে পরিদর্শন করা হয়। “আজও রানওয়ে পরিদর্শন করে ক্লিয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রানওয়ের আশপাশে ঘন জঙ্গল ও ঝোপঝাড় থাকায় মাঝে-মধ্যে শিয়াল, সাপ বা কুকুর ঢুকে যায়। এজন্য আমাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়।”

ইব্রাহীম খলিল আরও জানান, বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা কুকুর অপসারণ প্রতি ছয় মাস অন্তর পরিচালিত হয়। সিটি করপোরেশনের সহায়তায় কুকুরগুলো ধরে বিমানবন্দরের বাইরে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া আশপাশের বন-জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করা হয়। প্রতিটি ফ্লাইটের আগে নিরাপত্তার ঘাটতি না থাকে, সেজন্য গাড়ি দিয়ে রানওয়ে ও সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখা হয়।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্যপ্রাণী রানওয়েতে উঠে এলে তা উড়োজাহাজের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, বিশেষত উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়। তাই বিমানবন্দর এমন ঘটনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে থাকে।

বুধবারের ঘটনাটি বড় কোনো দুর্ঘটনায় রূপ না নিলেও যাত্রীরা সাময়িক ভোগান্তির শিকার হয়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর বিমান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর