ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

চট্টগ্রামে থানার মেসে এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার


এএসআই মো. অহিদুর রহমান

  • আপলোড সময় : রবিবার ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৫:০২ পিএম

চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার মেসের বাথরুম থেকে মো. অহিদুর রহমান নামে এক এএসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে থানার মেসের বাথরুমে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত এএসআই মো. অহিদুর রহমানের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাটে। তার বাবার নাম মো. শহিদুল্লাহ। কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন ও সহকর্মীদের সঙ্গে স্বাভাবিক আচরণ করায় কেউই তার এমন মৃত্যু ঘটবে বলে ধারণা করতে পারছেন না। সহকর্মীরা জানান, শনিবার রাতেও তিনি নিয়মিত ডিউটি করেছেন। সকালে ডিউটি শেষে মেসে গিয়ে বাথরুমে গোসল করতে প্রবেশ করেন। দীর্ঘসময় পার হয়ে গেলেও তিনি বাইরে না আসায় সহকর্মীরা প্রথমে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।

তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জানান, আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আরও জানান, তিনি কোনো ধরনের ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যার কথা কাউকে জানাননি। কাজের প্রতি তার নিষ্ঠা এবং আচরণ ছিল স্বাভাবিক। কী কারণে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘিরে থানার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যেও শোক ও হতবিহবলতা ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে। কোনো ধরনের রহস্য বা অসঙ্গতি থাকলে সেটিও যাচাই করা হবে। পাশাপাশি নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে তিনি জানান।

সহকর্মীদের ভাষ্যমতে, অহিদুর রহমান ছিলেন শান্ত স্বভাবের ও দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা। তার আকস্মিক মৃত্যুতে থানায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর