অভিযানে হাসপাতালের ভিতর এবং বাইরের নানা অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা, নোংরা পরিবেশ, অপারেশন থিয়েটারের অনিয়মসহ পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা পাওয়া গেছে। এ কারণে হাসপাতালটি সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর ফরিদপুর কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামের ববিতা আক্তার (২৮) স্তনের সমস্যায় সুরক্ষা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়ামুল শেখ নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে অস্ত্রোপচার করেন। তার এই ভুল চিকিৎসার কারণে রোগীর শরীরের একটি অঙ্গ হারিয়ে যায়।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানা যায়, ওই ক্লিনার নিয়ামুল শেখ হাসপাতালের ভেতরে ডাক্তার সেজে অপারেশন চালিয়েছেন, যা প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া হাসপাতালের মালিককেও দায়িত্বে অবহেলার জন্য আটক করা হয়েছে।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের এই অভিযান স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা ও সেবা মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, হাসপাতালের অনিয়ম ও ভুল চিকিৎসার বিষয়গুলো নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে অনিয়ম ও অবহেলার ঘটনা ঘটে তা চরম উদ্বেগের বিষয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে রোগীদের জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
আকাশজমিন / আরআর