ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন সামলাতে জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী আরব উপসাগরে কাতারের এলএনজি ট্যাংকারে হামলা তাহসিফের সঙ্গে বারে দেখা যাওয়া জেরিকা দিশা ৪ দিনের রিমান্ডে ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯২৯ ৪৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর মৌলিক জ্ঞান অর্জন হলো না কেন, দায় কার? হাম ও হামের উপসর্গে দেশে মোট মৃত্যু বেড়ে ১২৫৪ প্রধানমন্ত্রীর নজরে টাঙ্গাইলের বাবুপুরের মাঠ: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর যুগান্তকারী ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ২৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা ধ্বংস করেছে ইরান মাদারীপুরে জামায়াত নেতার ঘর-বাড়ি গুঁড়িয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী একজন ৫টির বেশি অটোরিকশার মালিক হতে পারবেন না: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

মৃত সঞ্চয়পত্রের টাকা কীভাবে উত্তোলন করবেন


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:১৫ পিএম

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনি বা উত্তরাধিকারীরা কীভাবে টাকা পাবেন—এ প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন। মৃত্যুর পর সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা পুরো টাকা ও মুনাফা উত্তোলনের সুযোগ পায় নমিনি। নমিনি সঞ্চয়পত্র ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিতভাবে আবেদন করবেন। তবে শুধু আবেদন যথেষ্ট নয়, সঙ্গে প্রয়োজন কিছু কাগজপত্রের। এর মধ্যে রয়েছে—ক্রেতার মৃত্যুসনদ (স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ থেকে), প্রয়োজনে মেডিকেল সার্টিফিকেট, নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, দুই কপি ছবি, নাগরিকত্ব সনদ কপি, স্বাক্ষর সত্যায়ন কপি এবং ব্যাংক হিসাবের এমআইসিআর চেক পাতার কপি।

মৃত্যুর পর নমিনি চাইলে সঞ্চয়পত্র চালু রাখা যায়। নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত বিনিয়োগ চালু রাখা সম্ভব, এরপর মূল নগদায়ন করে নমিনি নিজ নামে নতুন সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন। তবে ক্রেতার মৃত্যুর পর নতুন নমিনি নিযুক্ত করা যাবে না। শুধুমাত্র মূল নগদায়নের মাধ্যমে নিজ নামে ক্রয় করলে নতুন নমিনি নির্ধারণ সম্ভব।

ক্রেতা ও নমিনি উভয়ই মারা গেলে আদালতের শরণাপন্ন হতে হবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত উত্তরাধিকারীরা সঞ্চয়পত্রের মালিকানা পাবেন। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে—পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া বাকি সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই বিনিয়োগ করতে পারে।

একেকটি সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ভিন্ন। মেয়াদপূর্তির সময় এই হার ১১.৯৮ শতাংশ থেকে ১১.৭০ শতাংশ পর্যন্ত। মেয়াদ পূর্তির আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙলে মুনাফা কমে যায়, তাই জরুরি প্রয়োজনে ছাড়া আগে ভাঙা উচিত নয়।

সঞ্চয়পত্র একক নামের পাশাপাশি যৌথ নামেও কেনা যায়। ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়েও সঞ্চয়পত্র ক্রয় করা সম্ভব। সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করা হয়। ভালো সুদের হার থাকায় মধ্যবিত্তের মধ্যে এটি সবচেয়ে নিরাপদ সঞ্চয়মাধ্যম হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এর ফলে অনেকেই সঞ্চয়পত্র কেনেন, যা স্থিতিশীল ও নিরাপদ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার উপায় হিসেবে কাজ করে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর