সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুরকে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও জনবান্ধব জেলায় পরিণত করতেই তাঁর কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে। তিনি বলেন, “মাদক, কিশোর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম, অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, যানজট নিরসন, অটোরিকশা চালকদের শৃঙ্খলার মধ্যে আনা, অনলাইনে জিডি গ্রহণে সুবিধা বৃদ্ধি এবং থানায় ঘুষ–দুর্নীতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। থানায় যেন কোনো সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন—এ বিষয়ে সকল পুলিশ সদস্যকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ সুপার বলেন, অপসাংবাদিকতার কারণে কোনো সাংবাদিক যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও পুলিশ প্রশাসন সতর্ক থাকবে। তিনি সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “সু-সম্পর্ক বজায় রেখে সাংবাদিকতা ও পুলিশ প্রশাসন মিলেই ফরিদপুরকে নিরাপদ ও উন্নত জেলায় গড়ে তুলতে পারে।”
সভায় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব ইসলাম পিয়াল নবাগত পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ফরিদপুর শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তাঁরা সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় ফরিদপুরের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন নিউজপোর্টাল ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ–সাংবাদিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিত দুই পক্ষই।