ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সুশীলতার দিন শেষ, জবাব চায় বাংলাদেশ’: ছাত্র-জনতার স্লোগান


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৩৫ পিএম

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কার্যালয় অভিমুখে মার্চ শুরু করেছে। মার্চের উদ্দেশ্য ছিল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদিকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন করা।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ডাকসু ভবনের সামনে থেকে সমবেত ছাত্র-জনতাকে নিয়ে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ডাকসু ভবন থেকে টিএসসি হয়ে সচিবালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেবে।

মার্চ চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের মধ্যে শোনা যায়, ‘সুশীলতার দিন শেষ, জবাব চায় বাংলাদেশ’, ‘এক হাদি হাসপাতালে, লক্ষ হাদি রাজপথে’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, হাদির মুখে কথা কবো’। এছাড়া স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নীতিকে কটাক্ষ করে স্লোগান দেওয়া হয়।

ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, “আমরা ডাকসুর সামনে থেকে বিক্ষোভ-মিছিল শুরু করে টিএসসি হয়ে সচিবালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেবো। আমাদের দাবি তিন দফা বাস্তবায়ন করতে হবে। যারা হাদিকে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িত, তাদের গ্রেপ্তার করা হোক।”

ডাকসুর এই উদ্যোগে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের অবস্থান ও দাবিগুলো প্রকাশ করছেন। মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্র-জনতা সরকারের কাছে তাদের প্রস্তাবনা পৌঁছে দিতে চাইছে।

অভিনেতা ও শিক্ষার্থীরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, জনমতের মাধ্যমে নির্দিষ্ট দাবি বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সতর্ক করেছেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ হলেও তাদের দাবি ও প্রতিবাদকে অবহেলা করা হলে তা বড় আন্দোলনে রূপ নিতে পারে।

মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি নিরাপত্তা সংক্রান্ত সরকারি দফতরের নজরদারিতে সম্পন্ন হচ্ছে। ডাকসুর পক্ষ থেকে কর্মসূচি চলাকালীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অংশগ্রহণকারীদের সতর্ক করা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার এই উদ্যোগ রাজধানীর সচিবালয় এলাকায় পুলিশের নজরদারিতেও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে চেষ্টা করছে।

ডাকসু এই কর্মসূচি চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন, দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীরা সামাজিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর