ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ১:২১ পিএম

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে ব্যাপক কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করেছে। পাকিস্তান সীমান্তের ৯৩ শতাংশ এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৮০ শতাংশ এলাকায় এই বেড়া বসানো হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায় মঙ্গলবার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান।

পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের স্থল সীমান্ত ২,২৮৯.৬৬ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ৪,০৯৬.৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ। নিত্যানন্দ রায় জানান, পাকিস্তান সীমান্তের ২,১৩৫.১৩৬ কিলোমিটার (৯৩.২৫ শতাংশ) এবং বাংলাদেশ সীমান্তের ৩,২৩৯.৯২ কিলোমিটার (৭৯.০৮ শতাংশ) এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ৯০৫.২১৪ কিলোমিটার এলাকায় বেড়ার কাজ শেষ হয়েছে।

ভারতের স্থল ও জলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য যথাক্রমে ১৫,১০৬.৭ বর্গকিলোমিটার ও ৭,৫১৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত স্থল সীমান্ত হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘ। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুপ্রবেশকারীদের ঠেকানো এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় কড়াকড়ি আরোপকে গুরুত্ব দিচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া বসানো হচ্ছে বিশেষ করে অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, মানবপাচার এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধের জন্য। ভারত সরকারের এই উদ্যোগ নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।

নিত্যানন্দ রায় বলেন, সীমান্তে বেড়া বসানোর মাধ্যমে কেবল নিরাপত্তা বাড়ানোই নয়, বরং সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যও অর্জিত হচ্ছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে দুর্ঘটনা ও সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্য স্থানীয় প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, চীন ও মালদ্বীপ—এই আট দেশের স্থল ও জলসীমান্ত রয়েছে। এসব সীমান্তের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ভারতের নিরাপত্তা নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ভারত সরকারের সচেতনতা ও নিরাপত্তা নীতির বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর