জুলাই বিপ্লবের অগ্রসেনানী ও ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রকাশিত হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এবং সহিংসতা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে।
হাদির মৃত্যুর পর দেশে গণমাধ্যমের কার্যালয়ে আগুন লাগানোসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভের খবর ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমগুলো প্রকাশ করেছে। NDTV-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “ছাত্রনেতার মৃত্যুর পর বাংলাদেশ উত্তাল, গণমাধ্যমের কার্যালয়ে আগুন।” টাইমস অব ইন্ডিয়া হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ভারত বিরোধী বিক্ষোভের বিষয়টি তুলে ধরেছে।
দ্য হিন্দু জানিয়েছে, তরুণ নেতা হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, গণমাধ্যম কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। হিন্দুস্তান টাইমসও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ওসমান হাদির মৃত্যুর পর বাংলাদেশের শহরগুলোতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এবং গণমাধ্যম অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জি নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হাদির মৃত্যুতে বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ শুরু হওয়ায় দেশে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বিশিষ্ট ছাত্রনেতার মৃত্যুর পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু গণমাধ্যম অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
আনন্দবাজার তাদের প্রতিবেদনে হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাতভর বিক্ষোভ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের খবর প্রকাশ করেছে। এছাড়া সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে হাদির মৃত্যুতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এবং গণমাধ্যম অফিসে হামলার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এই সব প্রতিবেদনে হাদির হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কতটা উত্তপ্ত হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো দেখিয়েছে, বাংলাদেশে জনমত ও ছাত্র-রাজনীতির প্রতিক্রিয়া কতটা জোরালো এবং সহিংসতার মাত্রা কতখানি।
হাদির মৃত্যু ও পরবর্তীতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দেশে গভীর শোকের পাশাপাশি রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জোরদারি করা হয়েছে। জনগণ বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে।
আকাশজমিন / আরআর