প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর, পাহাড়তলী, পাঁচলাইশ) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও তিনি পরিবর্তে চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা) আসনে নির্বাচন করবেন। চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বর্ষীয়ান নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের ছেলে সাঈদ আল নোমান তূর্য।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। তিনি জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাঈদ আল নোমান এবং চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৩ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী হিসেবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১০ আসনে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। এতদিন পর্যন্ত চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। ওই আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ছেলে ইসরাফিল খসরু এবং চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।
গুরুত্বপূর্ণ যে, গত ৩ নভেম্বর সালাউদ্দিনের প্রার্থী ঘোষণার পর আসলাম চৌধুরীর সমর্থকরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। ওই ঘটনায় আসলাম চৌধুরীর অনুসারী কয়েকজন নেতাকর্মীকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। একই সময়ে সালাউদ্দিনের অনুসারীরা এলাকায় আনন্দ মিছিলের আয়োজন করে। এর ফলে দুই পক্ষ আলাদাভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করে আসছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপির এ পদক্ষেপ দলীয় ঐক্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরদার করবে।