ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সিংগাইর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৭:৩৮ পিএম

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কমিউনিটি ক্লিনিকের ৪৪৫ জন সদস্যকে ট্রেনিং না করিয়ে সরকারি ৮ লক্ষ টাকার অধিক অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিকের ৫৪৪ জন আহবায়ক কমিটির সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত পুরো অর্থ উত্তোলন করেও ট্রেনিং দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে কমিউনিটি গ্রুপের মধ্যে ক্ষোভ ও অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মীর তথ্য অধিকার আইনে আবেদন সত্ত্বেও গত তিন মাসেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ৮ লক্ষ টাকার বেশি বাজেট ট্রেনিং বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ট্রেনিং না করিয়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হেড ক্লার্ক মো. মশিউর রহমান বলেন, হাসপাতালের ট্রেনিং সংক্রান্ত বিষয়গুলি পরিসংখ্যানবিদ রুহুল আমিন ইকবাল দেখেন। কিন্তু রুহুল আমিন ইকবাল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “আমি ছোট চাকরি করি। চেক বা বাজেট ইউএইচও স্যারের নামে আসে। স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করি। কত টাকা বাজেট ছিল তাও আমি বলতে পারি না।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাফসান রেজা খান বলেন, তার দায়িত্বকালে এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পূর্বের কর্মস্থলে ট্রেনিং না হলে পরে ট্রেজারির মাধ্যমে টাকা ফেরত দিয়েছি। এছাড়া তিনি জানান, সিজি গ্রুপের ট্রেনিং সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যায়নি।

কমিউনিটি ক্লিনিকের আহবায়ক কমিটির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর ও তদারকি সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণের আবেদন জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর