ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সিংগাইর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সময় : ৭:৩৮ পিএম

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কমিউনিটি ক্লিনিকের ৪৪৫ জন সদস্যকে ট্রেনিং না করিয়ে সরকারি ৮ লক্ষ টাকার অধিক অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নের ৩২টি কমিউনিটি ক্লিনিকের ৫৪৪ জন আহবায়ক কমিটির সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত পুরো অর্থ উত্তোলন করেও ট্রেনিং দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে কমিউনিটি গ্রুপের মধ্যে ক্ষোভ ও অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মীর তথ্য অধিকার আইনে আবেদন সত্ত্বেও গত তিন মাসেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের আওতায় ৮ লক্ষ টাকার বেশি বাজেট ট্রেনিং বাবদ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ট্রেনিং না করিয়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

হেড ক্লার্ক মো. মশিউর রহমান বলেন, হাসপাতালের ট্রেনিং সংক্রান্ত বিষয়গুলি পরিসংখ্যানবিদ রুহুল আমিন ইকবাল দেখেন। কিন্তু রুহুল আমিন ইকবাল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “আমি ছোট চাকরি করি। চেক বা বাজেট ইউএইচও স্যারের নামে আসে। স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করি। কত টাকা বাজেট ছিল তাও আমি বলতে পারি না।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাফসান রেজা খান বলেন, তার দায়িত্বকালে এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পূর্বের কর্মস্থলে ট্রেনিং না হলে পরে ট্রেজারির মাধ্যমে টাকা ফেরত দিয়েছি। এছাড়া তিনি জানান, সিজি গ্রুপের ট্রেনিং সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যায়নি।

কমিউনিটি ক্লিনিকের আহবায়ক কমিটির সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর ও তদারকি সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণের আবেদন জানিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর