সাক্ষাৎকালে আসন্ন ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ছাড়াও বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান চলাচল, অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত শ্রম সংস্কার এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
দেশে ১৭ মাস দায়িত্ব পালন শেষে দেশে ফেরার প্রাক্কালে রাষ্ট্রদূত জ্যাকবসন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং ফেব্রুয়ারির নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, নির্বাচনের আগে শান্তি বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রয়াস কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি ভোটের পরিবেশ যেন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ থাকে, সেই লক্ষ্যে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাৎকালে জ্যাকবসন বলেন, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক গত এক বছর ধরে দৃঢ়ভাবে এগিয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে নানা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার হয়েছে। নির্বাচন সফল করার জন্য মার্কিন সরকার যথাসম্ভব সহায়তা করবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিইসি অফিসের নির্দেশনায় সাইবার নিরাপত্তা জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও নিরাপদ হয়। এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে জমায়েত ছিল অনেক বেশি, তবে নির্বাচন পরিবেশে শান্তি বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
দেশের জনপ্রিয় ভোটারদের কাছে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন একযোগে কাজ করছে, যা আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আকাশজমিন / আরআর