১০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৫০৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তবে এর মধ্যে মাত্র ২ জন ফরম জমা দিয়েছেন। কুমিল্লা অঞ্চলে ৪০৫ জন এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলে ৩৩৯ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন। খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও ফরিদপুরসহ অন্যান্য অঞ্চলেও প্রার্থীদের ফরম সংগ্রহের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। সিলেট অঞ্চলে সবচেয়ে কম, মাত্র ১২৭ জন প্রার্থী ফরম সংগ্রহ করেছেন।
দাখিলের ক্ষেত্রে বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলে যথাক্রমে ৭ ও ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, যা অন্যান্য এলাকার তুলনায় কিছুটা বেশি। তবে রাজশাহী ও কুমিল্লা অঞ্চলে এখন পর্যন্ত কোনও প্রার্থী ফরম জমা দেননি।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় বাকি রয়েছে। এ সময়সীমার পর আর কোনো ফরম গ্রহণ করা হবে না। ফলে শেষ দিনে অফিসগুলোতে ব্যাপক ভিড় ও চাপ দেখা দিতে পারে।
ঘোষিত তফশিল অনুসারে, মনোনয়নপত্র জমার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে। এরপর ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ থাকবে এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল নিষ্পত্তি করা হবে।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন।
সবশেষে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বর্তমানে সব দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও নথিপত্র গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আকাশজমিন / আরআর