সকালেই উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়, যা জনসাধারণের মধ্যে সমাজসেবার গুরুত্ব তুলে ধরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এরপর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান। সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আতিকুর রহমান, প্রাণী সম্পদ অফিসার আকলিমা খাতুন, মহিলা বিষয়ক অফিসার সুবীর কুমার পাল, প্রতিবন্ধি স্বেচ্ছাসেবি সংস্থার সভাপতি সানোয়ার হোসেনসহ উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় সমাজসেবা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সমাজসেবা হলো মানবিক কল্যাণমূলক কাজ, যা দরিদ্র, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও মানবিক মনোভাব নিয়ে সমাজসেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে বলে বক্তারা অভিমত প্রকাশ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুর রহমান বলেন, সমাজসেবার মাধ্যমে জনগণের দুরবস্থা দূরীকরণ এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সমাজসেবা দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা জনগণের মাঝে এই সেবার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।
সমাজসেবা অফিসার আতিকুর রহমান বলেন, প্রযুক্তি ও মমতায় সমাজসেবা কর্মীরা দারিদ্র বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও পুনর্বাসনের মতো নানা ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন। এ কার্যক্রমকে আরও প্রণোদনা দিয়ে সম্প্রসারিত করতে হবে।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানারে সমাজসেবার বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরে স্লোগান দেন, যা পথচারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। প্রতিবন্ধি ও স্বেচ্ছাসেবীদের অংশগ্রহণ র্যালিকে করেছে আরো প্রাণবন্ত ও অর্থবহ।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালনের মাধ্যমে সমাজসেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হয় এবং সারাদেশে সমাজসেবা কর্মীদের অবদান সম্মানিত করা হয়। এই দিবসটি সামাজিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদযাপিত হয়ে আসছে।