ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

ভালুকা হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যে রোগীরা নাজেহাল


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৪ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:৫৭ পিএম

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালদের দৌরাত্ম্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা সরকারি হাসপাতালের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বাধ্য হয়ে তারা বাড়তি খরচে প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছেন। রোগীরা অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা হাসপাতাল থেকে না পেয়ে অধিক ব্যয় করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে দেখা গেছে, হাসপাতালের প্রধান ফটক, জরুরি বিভাগসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থানীয় কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিয়োজিত দালালরা ওত পেতে থাকেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেলে কেউ দ্রুত সরে পড়েন, আবার কেউ রোগী বা রোগীর স্বজন সেজে অবস্থান নেন।

রোগীর স্বজনরা জানান, সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও দালালদের প্ররোচনায় তাদের বাইরে পাঠানো হয়। ফলে তারা বিনামূল্যে বা কম খরচে যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পাবার কথা, তা না পেয়ে প্রাইভেট ক্লিনিকে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করছেন।

অন্যদিকে, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, হাসপাতালের কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরকারি দায়িত্ব পালনের চেয়ে নিজেদের বা চুক্তিবদ্ধ প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী পাঠাতে বেশি আগ্রহী।

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়নের চেষ্টা চলছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে এবং বর্তমানে হাসপাতালেই বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে, যা আগে রোগীরা পেতেন না।

তবে তিনি স্বীকার করেন, উপজেলার বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় হাসপাতালে বরাদ্দকৃত জনবল ও সরঞ্জাম যথেষ্ট নয়। সীমিত সম্পদের মধ্যেই সেবা নিশ্চিত করার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে বলেও জানান।

স্থানীয় সচেতন মহল দাবি করছে, দালাল চক্র ও অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সরকারি হাসপাতালের ওপর মানুষের আস্থা আরও কমে যাবে। তারা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর