সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য (গ্যাস) মিজানুর রহমান, সদস্য মো. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।
জালাল আহমেদ জানান, এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর পর্যায়ে বেশি মূল্য নেওয়ার অভিযোগ আসায় সচিবালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এলপিজি অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন। তারা এ বিষয়ে আলোচনা করবেন এবং বিইআরসি এ অভিযোগ মোকাবিলায় অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সহযোগিতা করবে।
তিনি আরও বলেন, বিইআরসি নির্ধারিত দাম অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায়, তবে সরাসরি ভোক্তাদের সে দামেই পণ্য পাওয়া যাবে বলে গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এলপিজি আমদানিকারক কোম্পানিগুলো তাদের খরচ বিবেচনায় এনে দাম নির্ধারণ করে। এই কোম্পানিগুলো নির্ধারিত দামেই পণ্য সরবরাহ করছে বলে অ্যাসোসিয়েশন দাবি করেছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে উচ্চমূল্য প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং উচ্চমূল্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরো জানান, পণ্যবাহী জাহাজের ঘাটতি প্রধানত মধ্যপ্রাচ্যের কারণে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি বাড়ানোর জন্য। এছাড়া এলসি ইস্যুতে কিছু জটিলতা থাকলেও তা সমাধানে সরকারের উচ্চপর্যায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
আকাশজমিন /
আরআর