ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী মোহাম্মদপুরে মধ্যরাতে পার্কিং করা বাসে আগুন নন্দিগ্রাম-রেজিনগরের উপনির্বাচন মুসলিমদের জন্য পরীক্ষা: শুভেন্দু অধিকারী মিয়ানমার জান্তাকে তথ্য সরবরাহের অভিযোগে তদন্তের মুখে টেলিনর ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে ড্রোন হামলা: স্তব্ধ সৌদির বিশ্বব্যাপী তেল রপ্তানি থানচির বলিপাড়ায় আগুনে ১৩ দোকান ভস্মীভূত

ফাইনালে এমিরেটসকে ৪৬ রানে হারাল ভাইপার্স


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৫ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:১২ পিএম

ক্রীড়া ডেস্ক 

ডেজার্ট ভাইপার্স আবারও আইএল টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের প্রতিপত্তি জানান দিয়েছে। দুবাইয়ে ফাইনালে তারা এমআই এমিরেটসকে ৪৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতেছে। এই জয়ে দলের সফল অধিনায়ক স্যাম কারানের নেতৃত্ব এবং ব্যাটিং অবদান বিশেষভাবে আলোচ্য।

ভাইপার্স ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮২ রান সংগ্রহ করে। কারান ৫১ বলে ৭৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। তার সঙ্গে ম্যাক্স হোল্ডেন ৩২ বলে ৪১ এবং ড্যান লরেন্স ১৫ বলে ২৩ রান করে দলের স্কোরকে শক্তিশালী করে। প্রথমে টস জিতে এমিরেটসকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ভাইপার্স।

এমিরেটস লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও কোনো কার্যকর প্রতিরোধ করতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। নাসিম শাহ ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন। মাঝের ওভারে উসমান তারিক ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। ডেভিড পেইন ৪২ রান খরচায় তিন উইকেট পান এবং এক ওভারে তিনটি উইকেট নেওয়ার দৃশ্য ভাইপার্সের জয় নিশ্চিত করে। এমিরেটস ১৮.৩ ওভারে ১৩৬ রানে অলআউট হয়।

ভাইপার্সের জন্য এটি চতুর্থ মৌসুমে চতুর্থ ভিন্ন দলের শিরোপা। এর আগে গালফ জায়ান্টস, এমিরেটস এবং দুবাই ক্যাপিটালস এই ট্রফি জিতেছে।

ফাইনালে সাকিব আল হাসানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেন। প্রথম ওভারে তিনি ১০ রান দেন, এরপর আর উইকেট পাননি। তবে শেষ পর্যন্ত ২৭ বলে ৩ চারে ৩৬ রান করে দলকে কিছুটা সহায়তা করেন। সাকিবের পর কিয়েরন পোলার্ড ২৮ রান করেন। এতে এমিরেটসের দ্বিতীয় শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।

এদিন আটজন বোলার ব্যবহার করে এমিরেটসের আগ্রাসন ঠেকানো সম্ভব হয়নি। আরব গুল একটি উইকেট পান। ১৬তম ওভারে প্রয়োজনীয় রান রেট যখন ১৪-এর কাছাকাছি, লং অন দিয়ে তারিককে মারার চেষ্টা করেন সাকিব। তবে যথেষ্ট জোর ছিল না, এবং তানভির ক্যাচ নিয়ে খেলাটির সমাপ্তি হয়।

এভাবে ভাইপার্স অধিনায়ক স্যাম কারান এবং দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানদের কার্যকর ইনিংসের মাধ্যমে প্রথম আইএল টি-টোয়েন্টি শিরোপা নিশ্চিত করে। দলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং পরিকল্পিত প্রতিরক্ষা তাদের বিজয় নিশ্চিত করে।

ফাইনালে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। ভাইপার্সের বোলিং এবং ব্যাটিং সমন্বয় ম্যাচ জয়ের মূল চাবিকাঠি ছিল। এমিরেটস সর্বোচ্চ রান করলেও জয় অর্জন করতে পারল না। ডেভিড পেইন এবং নাসিম শাহের বোলিং পারফরম্যান্স দলের জয়ের পথ সুগম করে।

এই জয় ভাইপার্সকে আইএল টি-টোয়েন্টিতে একটি শক্তিশালী এবং ধারাবাহিক দল হিসেবে প্রমাণিত করে।

আকাশজমিন / আরআর    


এ সম্পর্কিত আরো খবর