জাপানের নিউক্লিয়ার রেগুলেশন অথরিটি জানায়, বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো ধরনের ক্ষতি বা অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের কারণে ওয়েস্ট জাপান রেলওয়ের শিন-ওসাকা থেকে হাকাতা পর্যন্ত শিনকানসেন বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ধাপে ধাপে স্বাভাবিক কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। ২০১১ সালে ফুকুশিমায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির পর দীর্ঘদিন পারমাণবিক কেন্দ্র বন্ধ থাকলেও, ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে পুনরায় ইউনিটটি চালু করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চুগোকু অঞ্চলের মতো ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় নির্মাণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। স্থানীয় প্রশাসন ও জরুরি উদ্ধারবাহিনী এখন পর্যন্ত কোনো গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রকাশ করেনি। তবে কম্পনের পর আফটারশক চলতে পারে বলে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জাপানের ভূমিকম্প সংক্রান্ত সতর্কতা ব্যবস্থা অত্যাধুনিক। সুনামি বা বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে দ্রুত সংকেত পাঠানোর ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
নাগরিকরা জানিয়েছেন, সকাল থেকেই শক্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। অনেকেই ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। বিশেষ করে শিমানে পারমাণবিক কেন্দ্রের আশেপাশের মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বর্তমান অবস্থায় পর্যবেক্ষণ চলছে। প্রশাসন ও জরুরি উদ্ধারকর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় নেমেছেন। পরিবহন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধাপে ধাপে স্বাভাবিক হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।