ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

নওগাঁয় শীতের তীব্রতা, কষ্টে নিম্নআয়ের মানুষ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৫১ পিএম

নওগাঁ জেলায় তীব্র শীত প্রতিদিনই চরম আকার ধারণ করছে। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। শীতবস্ত্রের অভাবে তারা কষ্টে দিন পার করছেন। বদলগাছি আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ নওগাঁ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া আরও শীতল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে শীতের প্রকোপও বেড়েছে কয়েকগুণ।

শীতের প্রকোপের সঙ্গে গরম পোশাকের সংকট মিলিত হওয়ায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। অনেক দরিদ্র পরিবারে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় অভিভাবকরা তাদের ছোট শিশুদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও বাড়ছে। নওগাঁ সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতিদিনই শীতজনিত সমস্যা—সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের দাবি, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করা উচিত। নইলে তীব্র শীতে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

শিক্ষক, সাংবাদিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, শীত ও কুয়াশার কারণে গ্রামীণ এলাকায় কর্মজীবন প্রায় অচল হয়ে গেছে। স্কুলেও শিশুদের উপস্থিতি কমে গেছে। বিশেষ করে দূরের এলাকায় বসবাসরত দরিদ্ররা রাতে গরম থাকার জন্য আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা কমানোর চেষ্টা করছেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও এনজিওগুলো শীতবস্ত্র বিতরণের কার্যক্রম শুরু করেছে। তবে সংখ্যাগত ও কার্যক্রমের সীমাবদ্ধতা থাকায় ত্রাণ যথাযথভাবে পৌঁছাতে পারছে না। সচেতন মহল বলছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিশু ও বৃদ্ধদের শীতজনিত সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।

শীতের প্রকোপ মোকাবিলায় সামাজিক সচেতনতা, সরকারি উদ্যোগ ও স্থানীয় কমিউনিটির সমন্বয় অপরিহার্য। নওগাঁর মতো এলাকায় দুর্বল অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা মানুষদের সহায়তা ছাড়া তাদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা কঠিন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর