ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং

ইউক্রেনে রুশ সেনারা পূরণ করছে ‘ঈশ্বরের লক্ষ্য’ : পুতিন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১:০৫ পিএম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সেনাদের ‘ঈশ্বরের লক্ষ্য’ পূরণ করছে বলে মন্তব্য করেছেন। বুধবার ইউক্রেনে অভিযানে থাকা রুশ সেনাদের শিশু-কিশোর সন্তানদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মস্কোর বাইরে সেইন্ট জর্জ দ্য ভিক্টোরিয়াস গির্জায় আয়োজিত সভায় পুতিন বলেন, “তোমাদের বাবা-মা এবং যেসব স্বজন এখন যুদ্ধে আছেন, তাদের জন্য তোমাদের গর্ব করা উচিত। কারণ রাশিয়ার জনগণ সবসময় তাদের যোদ্ধাদের নিয়ে গর্ব করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রায় সময় ঈশ্বরকে ত্রাণকর্তা নামে ডাকি, কারণ তিনি আমাদের রক্ষা করেন। আমাদের যোদ্ধারাও অনেকটা তেমন। তারা সার্বক্ষণিকভাবে ঈশ্বরের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের পিতৃভূমি এবং জনগণকে রক্ষা করার মিশনে রয়েছে। আমরা যা করছি তা একটি পবিত্র লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত হচ্ছে। এই লক্ষ্য ঈশ্বর নির্ধারণ করেছেন এবং আমাদের সেনারা তা পূরণ করছে।”

রাশিয়া ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জের ধরে ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে। সংঘাত এখনও চলমান।

২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের পর থেকে এই সংঘাত বন্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন ট্রাম্প। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নতুনভাবে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা অর্জনের জন্য ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে সক্রিয়তা দেখাচ্ছেন।

পুতিনের মন্তব্য আন্তর্জাতিকভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি রাশিয়ার সমর্থকদের মনোবল বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলো এটি অসহনীয় মনে করছে এবং ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

রাশিয়ার এই যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদি এবং জটিল। শিশু-কিশোরদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানকে পুতিন রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রচারমূলক হিসেবে ব্যবহার করছেন। এই মন্তব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সমর্থন ও আন্তর্জাতিক চাপের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।


এ সম্পর্কিত আরো খবর