গতকালকার করাকাস অভিযান এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনার পরই সিনেটে এই ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকে ভেনেজুয়েলার উপকূলবর্তী এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র নৌযানে হামলা ও সামরিক চাপ বৃদ্ধি করায় কংগ্রেসের মধ্যে প্রশাসনের ওপর সমালোচনা বেড়েছে। যদিও রিপাবলিকান সিনেটররা আগে এই ধরনের প্রস্তাব আটকে রেখেছেন, এবার ভোটের ব্যবধান খুব কম।
প্রস্তাবটির সহ-উপস্থাপক এবং কেন্টাকির রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল বলেন, দুই রিপাবলিকান সিনেটর ইতিমধ্যেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন। যদিও তারা কীভাবে ভোট দেবেন তা নিশ্চিত নয়।
প্রস্তাব পাস হলে তা রিপাবলিকান-নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদেও পাস করতে হবে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য ভেটো মোকাবিলা করতে হবে। আইনে পরিণত করতে উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
একদিকে কিছু রিপাবলিকান বিরোধী হলেও অনেকে দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অনিচ্ছার কথা জানিয়েছেন। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সামরিক বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার নৌযানে হামলা চালাচ্ছে এবং এটি সীমিত গ্রেপ্তার অভিযান নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান শুরুর আগে কংগ্রেসের অনুমোদন জরুরি।
বিরোধীরা বলছেন, মাদুরো আটকানোর ঘটনা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান; এটি সামরিক পদক্ষেপ নয়। ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে সীমিত সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।
আকাশজমিন / আরআর